শিরোনামঃ

জুড়ী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সার্ভেয়ার ফিরোজ কর্তৃক নানান অনিয়ম অভিযোগ-দেশবাংলা খবর২৪

জুড়ী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সার্ভেয়ার ফিরোজ কর্তৃক নানান অনিয়ম অভিযোগ-দেশবাংলা খবর২৪ 








মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ


মৌলভীবাজারের জুড়ীতে জুড়ী উপজেলার সার্ভেয়ার বটে? জুড়ী নদী উন্নয়ন খনন প্রকল্প সঠিক ভাবে নদীর সীমানা নির্ধারণ না করে নদী ভাঙ্গনের স্হানে এবং অপর প্রান্তে নদী ভরাট ভূমিতে  ব্যক্তিবিশেষের সুবিধার্থে উৎকোচ গহন করে সঠিক স্থানে নদীর সীমানা নির্ধারণ না করে।সার্ভেয়ার  ফিরোজের মর্জি,মাফিক মৌজা ম্যাপের সঠিক সীমানা নির্ধারণ না করে,নদীর উভয়  পাড়ে সীমানা ইচ্ছামাফিক যত্রতত্র পিলার বসান।অভিযোগ পাওয়া গেছে, জানা গেছে গত বুধবার (২৪/ফেব্রুয়ারি/২০২১ইং) রহস্যজনক ভূমিকা পালন করেন সার্ভেয়ার ফিরোজ আলী। উল্লেখ্য  নদীর পাড়ে মৃত জাকিরের বসতবাড়ী আনুমানিক ২৫ ফুট নদীর তীরে লাল রঙের দাগের ভিতরে কিন্তু উচ্ছেদ করা হয়েছে আনুমানিক ১০ ফুট,দীর্ঘ  সময় অনুসন্ধানে জানা গেছে একাধিক লাল রঙের দাগের ভিতরে নদীর তীরে বসতবাড়ী রয়েছে।ভুক্তভোগী স্থানীয় হাজী মোঃ খলিলুর রহমান জানান এই জমিটুকু বলরাম দাস এর কাছ থেকে ক্রয় করি এবং ঐ জমিটুকু পাকিস্তান আমল থেকে ভাঙ্গন ছিল নদীর পূর্ব পাড় বর্তমান পশ্চিম পাড়ে মাটি ভরাট হচ্ছে,জুড়ী নদী খনন প্রকল্প চালু হওয়ার পর থেকে সার্ভেয়ার কর্তিক নানান অনিয়ম  দেখা যাচ্ছে, পশ্চিম পাড়ের সীমানা সঠিকভাবে নির্ধারণ না করায়  পূর্ব পাড়ে আমার ভূমি  আকর্ষণে আনুমানিক ৩০ ফুট জমি জুড়ী নদীতে বিলীন হয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে আমি আইনানুগ সর্ব শক্তি যাদের হাতে রয়েছে আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের উদ্দেশ্যে বলতেছি আপনারা নিজেরা পুরাতন রেল ব্রিজ থেকে বর্তমান সংস্কার কাজ চলছে  ঐ রেললাইন থেকে ১৯৫৬ ইং এর ম্যাপ থেকে সঠিক জরিপ পাওয়া যাবে এবং সার্ভেয়ারদের যে দৌরাত্ম্য ও অহেতুক নিরীহ মানুষদের বাড়ি ঘর ভাঙ্গন এবং যা রেকর্ডিং মালিকানা  তা সত্য কারের সাবস্টেশন না করে ব্যক্তিস্বার্থে পশ্চিমপাড়ের সীমানা সঠিক ভাবে  নির্ধারণ না করে পূর্ব পাড়ের  সীমানা  আমাদের ভুমি আকর্ষনে পিলার পুঁতে রাখেন।অনেক রেকর্ডীয় মালিক এর ভূমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেল ও তাদের ব্যাপারে ইনসাফভিত্তিক নদীর উভয় পাড়ে সঠিক স্থানে।সীমানার পিলার নির্ধারণ না করে ব্যক্তিবিশেষ সুবিধার্থে সীমানার খুটি পুঁতে  রাখেন।

হরিরামপুর মৌজা ও উত্তর ভবানী পুর মৌজা,ব্রিটিশ আমলের রেললাইন বিদ্যমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বর্তমানে রেল লাইনের সংস্কার কাজ চলিতেছে, ঠিক পশ্চিম পাড়ে জাহাঙ্গীরাই মৌজার  অবস্থিত সি,এন,বি,আঞ্চলিক মহাসড়ক অবস্থিত এই দুই সড়ক হইতে জুড়ী নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে তাতে সত্য কারের নদীর গর্ভে বিলীন হওয়া ভৃমির মালিকেরা।ভুক্তভোগী স্থানীয় মকবুল মাস্টার,তাজ উদ্দিন, মাস্টার,বদরুল, সুশীল দাস। সাম্প্রতিক  ক্ষতিগ্রস্তদের হাত থেকে রেহাই পাবে এবং জুড়ী নদী সঠিক স্থান দিয়ে প্রবাহিত হবে।হরিরামপুর এবং জাঙ্গিরাই মৌজা প্রায় প্রায় দুই কিলোমিটারের মধ্যে উভয় পাশে  বসতবাড়ি দোকানপাট নদী ভরাট বিদ্যমান ছিল ও আছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,জরিপে কোন ধরনের সমস্যা  দেখা দিলে জমি মালিকরা এসিল্যান্ড বরাবর উপজেলায় দরখাস্ত দেওয়ার জন্য জানান,তিনি উপজেলায় ভৃমি জরিপ একটি তদন্ত কমিটি গঠন  করে  সার্ভেয়ার সহ  সংশোধন করে দিবেন।সার্ভেয়ার ফিরোজ আলী বলেন আমি সঠিকভাবে জরিপ করেছি হয়তো একটু মিসিং হতে পারে।

No comments

-->