শিরোনামঃ

জনতা বাসের ডাকাতি দেখার কেও নেই।

 জনতা বাসের ডাকাতি দেখার কেও নেই।


শেখ মিহাদ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি। 

কোম্পানীগঞ্জ থেকে থেকে নবীনগরে যাওয়ার শুধু একটাই বাস।নিউ জনতা বাস কথা কাজে মিল রাখেনি জনতা কতৃপক্ষ। ৬/৭ বছর আগে বিরতিহীন জনতা বাসে মৃত্যু হয় এই রাস্তায়।এক সময় ধাপিয়ে বেরাতো বিরতিহীন জনতা তাদের ব্যবহার যেমন খারাপ ছিল তেমনি ছিল না সময়ের দাম।তাদের এই কারনে এই বাস সার্ভসি বন্ধ কর দিতে হয়েছে।তারপর এই রাস্তায় যাতায়াতের জন্য সিএনজি চালিত  অটোরিকশাই ছিল একমাত্র ভরসা।তারপর অনেক হিসাব নিকাশ করে জনতা নতুন নামে হাজির হয়েছে।কথা দিয়েছিল সিটিং সার্ভিস দেবে ভাড়া নেবে ৫০৳ করে।কথা ছিল কোম্পানীগঞ্জ থেকে নবীনগর যাওয়া মাঝে মালাইবংঙ্গোরা যাত্রী নামাবে কিন্তুু উঠাবে না।ঠিক তেমনি নবীনগর থেকে কোম্পানীগঞ্জ যাওয়ার সময় মালাই-বাংঙ্গোরা থেকে যাত্রী উঠাবে নামাবে না।ভাড়া ৫০৳ নির্ধারিত তার মাঝে আর কোথাও থেকে যাত্রী নিবে না।কিছু দিন যাবৎ এই রাস্তায় যাতায়াত করে কিছু সংখ্যক যাত্রী কিছু অনিয়মের কথা বলে আসছে।আমি শেখ মিহাদ আমার কাছে এসে বলছে ভাই কিছু বলেন।আজ সরজমিনে তদন্ত করতে গিয়ে আমি তার সত্যতা পাওয়া যায়। নবীনগর থেকে বাসে উঠেছিলাম আমি। কোম্পানীগঞ্জ গিয়ে পৌঁছাতে সময় লেগেছে মাত্র ২ ঘন্টা ২৪ মিনিট। তাদের কে জিগ্যাসা করলে খারাপ ব্যবহার করলই তার উপর রাস্তার যেখানে সেখানে যাত্রী উঠাবে নামাবে কেও কিছু বললে অপমানিত হতে হয়।তাদের এই দিনে দুপুরে ডাকাতি কারো চোখেই পরছে না।তারা সিটিং সার্ভিসের নাম করে লোকাল থেকে ও অধিক যাত্রী নিয়ে কি করে চলাচল করে?তাহলে কি এই রাস্তা সাধারণ মানুষের সময় ও অর্থের দাম কারো কাছে নেই?এই প্রশ্নের উত্তর দেবে কে?এই এলাকার মানুষগুলা কি একটা মহলের কাছে জিম্মি? এতে কাদের লাভ হচ্ছে?

No comments

-->