শিরোনামঃ

কসবার শ্যামনগর গ্রামের কিশোরী চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার

কসবার শ্যামনগর গ্রামের কিশোরী চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার

মোহাম্মদ জামশেদ,কসবা প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কসবা থানার মূলগ্রাম ইউনিয়ন এর শ্যামনগর গ্রামের কৃষক আব্দুল আলীমের কন্যা  ১৫ বছর বয়সী জান্নাত আক্তারকে গত ১৭/০২/২০২০ইং তারিখ বেলা ১২ ঘটিকায় পার্শ্ববর্তী নবীনগর থানা নোয়াগাঁও  গ্রামের ইয়ার হোসেন (২২) পিতাঃ জাহাঙ্গীর মিয়া ফুসলিয়ে নৌকা ঘাট পার করে অজ্ঞাত নামা চার পাঁচ জন সহ জান্নাত আক্তার কে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঐ দিনেই জান্নাত এর পিতা কসবা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করিলে

 অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লোকমান হোসেন তাৎক্ষণিক  এস আই রাজ্জাককে দায়িত্ব প্রদান করা সত্ত্বেও দীর্ঘ আড়াই মাসে জান্নাত আক্তার কে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এদিকে অনেক খোঁজাখুঁজি করিয়া জান্নাত আক্তার কে ও অভিযোগ দায়েরর কোনো প্রতিকার না পাইয়া, নিরুপায় হয়ে জান্নাত আক্তারের পিতা আব্দুল আলিম সভাপতি মোবারক হোসেন চৌধুরী নাছির হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি HRRS একটি মানবাধিকার সংস্থা, প্রধান কার্যালয়,কসবা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বরাবরে গত ০১/০২/২০২১ইং তারিখ একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকে কেন্দ্র করে অপহরণকারীর সন্ধ্যান  নিতে থাকেন মানবাধিকারকর্মীরা। 

১৫/০২/২০২১ইং তারিখ জান্নাত আক্তারের খোঁজ মিললে।  HRRS সভাপতি অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর ভূইয়া পিপিএম-সেবা এর সহিত যোগাযোগ করলে  দ্রুত জান্নাত আক্তার কে  উদ্ধারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রাজ্জাককে দায়িত্ব দিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ মানবাধিকারকর্মীরা ১৫/০২/২০২১ ইং তারিখ রাত আটটা ৪৫ ঘটিকায় চট্টগ্রাম নতুন রেল স্টেশনের গেইটের ৫/৬ হাত ভিতর থেকে জান্নাত আক্তার কে উদ্ধার করে। 

এদিকে অপহরণকারী জান্নাত আক্তার কে অপহরণ করিয়া নিয়া হাজেরা বেগম স্বামী আমির হোসেন, স্টেশন কলোনী, হাসেম দারুগার, ভাড়া কলোনি ,আইচ ফ্যাক্টরি রোড ,কোতোয়ালি, ৫৫/বি মুসুউদ্দুল্লা মাদ্রাসার কাছে বরিশাল কলোনিতে রেখে অপহরণকারী জান্নাত আক্তার কে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে । তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম থেকে ফিরে এসে ইয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে      অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জনসহ ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩, নারী কে জোর পূর্বক অপহরণ, ধর্ষণ এবং সহায়তার অপরাধ এনে কসবা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ১৬  তারিখ ১৬/০২/২০২১ইং । এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত অপহরণ কারীকে গ্রেফতার করা  হয়নি।

No comments

-->