শিরোনামঃ

গাছে গাছে আমের মুকুল স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ এ

 গাছে গাছে আমের মুকুল স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ এ


মোঃ অাসাদুজ্জামান 

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

বছর ঘুরে সময়ের পালাবদলে ঋতুরাজ বসন্ত এসেছে। ফাগুনের সঙ্গে শীতের তীব্রতাও নিয়েছে বিদায়। একই সঙ্গে আমের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের আমের বাগান মুকুলে ছেয়ে গেছে।

বিশেষ করে ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ  উপজেলায় আমের সােনালী মুকুল এ ভরে গেছে প্রায় প্রতিটি বাগান । বসন্তের দক্ষিণা হাওয়ায় দোল খাচ্ছে ডালে ডালে । যেন প্রকৃতি সেজেছে আমের মুকুলের নােলকে । মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে গাছে গাছে মৌমাছির ভিড় । বছর ঘুরে গাছে আমের মুকুল ঋতু বৈচিত্র জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন । অধিকাংশ গাছেই আমের মুকুল , কিছু গাছে । আগাম গুটিও দেখা দিয়েছে । আবহাওয়াগত কারনে ঠাকুরগাঁও জেলা আমের খ্যাতি রয়েছে বেশ  ।


বাণিজ্যিকভিত্তিক চাষিদের মাঝে আম উৎপাদনের আগ্রহ দিন দিন বাড়তেছিল যদিও তবে এখন একটু মন্দা। কারণ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বাগান গড়ে উঠেছে এ এলাকা গুলোতে। গত পাঁচ বছর  ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফা পাওয়ায় পরের বছর ব্যাপক হারে নতুনভাবে রোপন করে অারো  নতুন কিছু খেটে খাওয়া  ব্যবসায়ী। তাদের ও স্বপ্ন যে অামিও অন্যান্যদের  মত সফল হব । তাই কিছুটা হলেও এ ক্ষাতে বাজার মন্দা দেখা দিতে পারে বলে জানান অাম ব্যবসায়ী অাবু তালেব। দেখা গেছে , বাগানের আম গাছগুলােতে মুকুলের ভারে নুইয়ে পরছে গাছের শাখা প্রশাখা । মুকুলের পরিচর্যা করতে শুরু করেছেন আম চাষিয়া । রােগ – বালাইয়ের হাত থেকে মুকুল রক্ষায় চাষিরা কৃষি অফিসের পরামর্শনিচ্ছেন । ভাল ফলনের আশায় স্প্রে পদ্ধতিতে প্রয়ােগ করছেন বিভিন্ন বালাইনাশক ।


 অার ঠাকুরগাঁও এ প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কমবেশি আমগাছ রয়েছে । আবার অনেকে বারাে মাসি আমগাছও লাগিয়েছেন নতুনভাবে । ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ এ অাম ব্যবসায়ী মোঃ রাজু বলেন অন্য বছরের তুলনায় এবার গাছে অনেকটা আগাম মুকুল এসেছে । তাই আগে থেকে গাছের পরিচর্যা করতে শুরু করছি । তবে কয়েক দিন ঘন কুয়াশার কারণে মুকুলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে । বালাই নাশক স্প্রে করে ভাল ফলাফল আশা করছি। 

অারেক অাম ব্যবসায়ী অাজিজুর রহমান বলেন, কিছু কিছু বিষ কম্পানির গুনগত মান এতটাই খারাপ যে স্প্রে করার পর ও রেজাল্ট নিয়ে টেনশন করতে হয় এবং বোতলের লেবেলে দাম যদি ১২০০ থাকে বিক্রি হয় ৪০০/৫০০ টাকায় এতে অামরা সাধারণ ব্যবসায়ীরা ঠকার সম্ভাবনা থেকেই যায় ও মানের বিষয় টা নিয়ে ও টেনশন থাকেই যায়। তাই এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


অাবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গতবারের তুলনায় এবারে বেশি ফলনের আশা করছে সব অাম বাগান  ব্যবসায়ীরা।

No comments

-->