শিরোনামঃ

সম্পত্তির লোভে ভাইয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে অন্যেকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্ঠার অভিযোগ-দেশবাংলা খবর২৪

সম্পত্তির লোভে ভাইয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে অন্যেকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্ঠার অভিযোগ-দেশবাংলা খবর২৪ 











প্রতিনিধি  খান আরিফ : 

বরিশাল ৩০নং ওয়ার্ড কাশিপুরে গৃহবধূ সীমাকে  রাতভর ধর্ষণ ও নির্যাতন করার অভিযোগে আদালতে দুই লম্পটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ করলো দুই লম্পট।এই কাল্পনিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বরিশাল মেট্রোপলিটন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করে বিমান বন্দর থানাধীন ৩০নং ওয়ার্ডের গন পাড়া এলাকার বাসিন্দা শুক্কুর রাড়ীবাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বিমান বন্দর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য নিদের্শ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায়, মামলার বাদী শুক্কুর রাড়ীর সাথে প্রতিপক্ষ জুলহাস,হারুন,কালামের সাথে জমি নিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। শুক্কুর  রাড়ীর, সৎভাই আঃ রব রাড়ী  বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে জমি উদ্ধারের জন্য শুক্কুর রাড়ী ও তার স্ত্রীকে কু প্রস্তাব দিয়া আসতো। ঘটনা আগে শুক্কুর রাড়ীকে  আঃ রব রাড়ী ও জব্বার রাড়ী জমি বিরোধের বিষয় জুলহাস, হারুন, কালামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিতে প্রস্তাব দেয়।

শুক্কুর রাড়ী সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে যায় আসামীরা। পরে গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি শুক্কুর রাড়ীর স্ত্রীকে ভূল বুঝিয়ে সন্ধা ৭টার সময় ঘর থেকে ঢেকে গনপাড়া সেনের বাড়ী সুপারী বাগানের ভিতরে নিয়ে যান। পরে ভোর ৫,টার পর্যন্ত আসামী জব্বার রাড়ী, আঃ রব সহ অজ্ঞাতনামা আরো একজন মিলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন  গণধর্ষণ করেন।

পরর্বতীতে শুক্কুর  মামলার ১নং আসামী জব্বারকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করে নাই। এর কিছুক্ষণ পরে শুক্কুর ফোন করে জব্বার ও আঃরব জানান, তার স্ত্রী সেনেরবাড়ি সুপারী বাগানে উলাঙ্গ হয়ে পরে আছেন। পরে শুক্কুর রাড়ী তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। ঘটনার দিন ধর্ষিতা সীমাকে। হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার কথা বলে জব্বার ও আঃরব কোতয়ালী মডেল থানায় নিয়ে গিয়ে প্রতিপক্ষ। জুলহাস,হারুন,কালামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিতে বলেন। অপরদিকে ভূক্তভোগী শুক্কুর রাড়ী সাংবাদিকদের জানায়  আমার স্ত্রীসীমাকে হাসপাতালে না নিয়ে কোতয়ালী থানায় নিয়ে যায় আসামীরা। পরে আমাকে জব্বার ও আঃরব জানায় যে তারাই প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে আমার স্ত্রীকে ধর্ষন ও নির্যাতন করেছেন। প্রতিপক্ষ জুলহাস,হারুন,কালামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়ার জন্য চাপপ্রয়োগ করেন।

তাদের প্রস্তাবে রাজি না হলে জব্বার ও আঃবর তাকে ভয়ভিতি দেখিয়ে জোড় পূর্বক জুলহাস,হারুন,কালাম সহ ৫জনার বিরুদ্ধে মিথ্যা একটি ধর্ষণ মামলা সাজিয়ে কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেন আসামীরা। পরে আমি আমার স্ত্রীসীমাকে হাসপাতালে ভর্তি করি এবং ওই স্বাক্ষরিত কাগজ ফেরত চাই। কিন্তু কাগজটি ফেরত না দিয়ে উল্টো তারা আমাকে হত্যা করার জন্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করতে থাকে । বিষয়টি আমি জব্বারের ১ম ও ২য় স্ত্রীদের জানাই এবং আমার মা খালাকে জানাই। এরপর আমি নিজেকে বাঁচাতে গত ২২শে ফেব্রয়ারি বিষয়টি বিমান বন্দর থানার ওসিকে বিষয়টি অবগত করি। পরে পুলিশের পরামর্শে আদালতে মামলা করি। আসামীরা আমাকে মেরে ফেলার জন্য হুমকি প্রদান করেন। বর্তমানে ধর্ষিতা সিমা বেগম শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানান তার পরিবার।

No comments

-->