নতুন প্রকাশিতঃ

ঝিনাইদহে সড়ক পরিবহন আইনে মাঠে নেমেছে ইউএনও

 ঝিনাইদহে সড়ক পরিবহন আইনে  মাঠে নেমেছে ইউএনও


মোঃ আনোয়ার হোসেন 

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ


সড়ক পরিবহন আইন-২০২০ কার্যকরের জন্য আজ রবিবার   মাঠে নেমেছেন  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ইউএনও সুবর্ণা  রাণী সাহা। আইন সম্পর্কে কেউ কেউ জানলেও অনেক বাসচালকের অভিযোগ, কাগজপত্র না থাকলেও মালিক সড়কে নামতে তাঁদের নিষেধ করেননি। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহন, পথচারী পারাপারের চিত্র তেমন বদলায়নি। বাসগুলোয় ধরা পড়েছে চিরাচরিত সব অনিয়ম।


গত বছরে নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করে সরকার। 


 আজ রবিবার ঢাকা খুলনা মহাসড়কে কালীগঞ্জে মোবারক গঞ্জ চিনি কলের সামনে   ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  সুবর্ণা রানী সাহা। দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ বিভিন্ন পরিবহনের নয়টি বাস থামায়।  দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  সুবর্ণা রানী সাহা, ভোরের কাগজকে জানান, একটি বাসকে জরিমানা করা হয়নি। এর বাইরেও বাসের ভেতরে ভাড়ার তালিকা না রাখা, হাইড্রোলিক হর্ন থাকা, নারীদের জন্য আসন বরাদ্দ না রাখার মতো অপরাধে জরিমানা করা হয়েছে।


তিনি আরও জানান, গাড়ির বৈধ কাগজ পত্র না থাকায়, সঠিক ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় বিভিন্ন জনকে  বার হাজার পাঁচ শত টাকা  জরিমানা আদায় করা হয়েছে। 

এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

গড়াই, রুপসা পরিবহন বেশি স্পিরিটে চালান,  জবাবে ইউএনও জানান, এটা ট্রাফিক পুলিশের বিষয়।

মাত্র ২৫ থেকে ৩০ দিনের ব্যবধানে কুষ্টিয়া  খুলনা মহাসড়কে  শৈলকূপা উপজেলার শেখপাড়া বাজারে ৯ জন ও গত বুধবারে কালীগঞ্জে বারোবাজার তেলপাম্পের সামনে ১২ জন নিহত হন। 

গাড়ির স্পিরিট এর বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিনাইদহ জেলা ট্রাফিক  সার্জেন্ট সালাউদ্দিন আহমেদ  ভোরের কাগজকে জানান, চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো, ও ইউটান যেখানে থাকে, সেখানে যাতে বেপরোয়া ওভার টেকিং না করে,  এসব বিষয়ে  চালকদের ১৫ দিন পর পর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। 

এত ঘন ঘন সড়ক দুর্ঘটনায় কথা জানতে চাইলে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মোঃ মুনতাসিরুল ইসলাম জানান,  আমরা প্রতিদিনই মামলা করছি,  এবং সরকারের লক্ষ  লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হচ্ছে।

No comments

-->