নতুন প্রকাশিতঃ

ঈদগড়- বাইশারীতে উজাড় হচ্ছে বনভূমি,নিরব বনকর্মকর্তারা।।

ঈদগড়- বাইশারীতে উজাড় হচ্ছে বনভূমি,নিরব বনকর্মকর্তারা।। 



আব্দুর রহমান, রামু উপজেলা প্রতিনিধি।।



গাছ বাচঁলে বাচঁবো আমরা এমন স্লোগানকে সামনে রেখে সরকার বনভুমি রক্ষা করতে যাদের দাযিত্ব দিয়েছে তারাই নাকি বনভুমির ভক্ষক হয়ে দাড়িয়েছে।

ঈদগড় ঈদগাহ সড়কে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে সরকারী বনভূমি উজাড় করে পাচার করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। কাঠ পাচার অব্যাহত রাখতে বন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও যোগসাজেস রয়েছে বলে জানাযায়। সেটার প্রমান আসে এতো কাঠ পাচারের বিভিন্ন অভিযোগের পরেও কাঠ পাচার বন্ধ হচ্ছেনা  এমনটাই প্রশ্ন সচেতন মহলের তারা প্রতিনিযত নীরব ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।

কক্সবাজারের উত্তর বনবিভাগের রামুর ঈদগড় রেঞ্জের আওতাধীন ও পার্বত্য এলাকার বাইশারীর আলিক্ষং, ঈদগড় রোড হয়ে গত২২ফেব্রুয়ারি রাত আটটায় ডাম্পার ভর্তি অবৈধ ভাবে কাঠ পাচার হয়ে গেছে। বিষয়টি সাপ্তাহিক বাজারের অসংখ্য  জনসাধারণ প্রত্যক্ষ করেছেন।এলাকার সচেতন মহল বিষয়টির দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ সহ সি সি এপ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।বনবিভাগের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা থাকার পরও নির্বিঘ্নে অবৈধভাবে কাঠ পাচার হওয়া এলাকাবাসী বনবিভাগের লোকজন নিয়ে সমালোচনায় পঞ্চমুখ। এলাকার সচেতন জনগনের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এখানে বন বিভাগের কাজ কি? বনবিভাগের জায়গার উপর বাড়ি নির্মাণ, জায়গা বিক্রি ও পানের বরজ তৈরির কাজে সহযোগীতাই কি  মূলত তাদের কাজ?  শুধু তাই নয় এই রোড়ে কাঠ পাচার নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ও ওপেন গোপনীয়তা।বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য  সচেতন মহল মত প্রকাশ করেন। অন্যতায় এ বৃহৎ বনাঞ্চলের উপকারভোগীদের দেওয়া সামাজিক বনায়ন সাভাড় হয়ে যাবে।

গাছ বাচঁলে বাচঁবে,প্রানী, প্রাণী বাচঁলে বাচঁবে দেশ এমন স্লোগান কে সামনে রেখে বনঁভুমি উজাড় হওয়া থেকে রক্ষা করতে সরকারের পাশাপাশি সচেতন মহলের ও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।

No comments

-->