নতুন প্রকাশিতঃ

বাঘায় মাদক সম্রাট দের তান্ডবে, হুমকির মুখে এলাকা বাসী।

বাঘায় মাদক সম্রাট দের তান্ডবে, হুমকির মুখে এলাকা বাসী। 

বাঘা প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ও মনিগ্রাম ইউনিয়নে বেশ কিছু  প্রভাবশালী মাদক সম্রাট রয়েছে। তাদের নামে একাধিক মাদক মামলা থাকলেও তারা প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে প্রায় প্রকাশ্যই পরিচালনা করে তাদের অবৈধ্য মাদক ব্যবসা।মাদক ব্যবসায়ীদের অবাধ চলাফেরা, তান্ডব ও হুমকির মুখে অতিষ্ঠ এ সকল এলাকাবাসী। 

সাম্প্রতিক (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত্রি আনুমানিক ৮ টায় মনিগ্রাম ইউনিয়নের রূপপুর মাটিপাড়া গ্রামের মালেক হোসেনের ছেলে স্বপন (৫০) এর ৬৫৫ পিস ভারতীয় অবৈধ্য ফেন্সিডিলের চালান প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে তোলার সময়, কে বা কাহারা কেরে নেই। তারপর শুরু হয় মাদক সিন্ডিকেটের তললাসি ও খোজাখুজি। সন্ধেহের বসে এলাকার বেশ কয়েক জন কে অভিযুক্ত করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হুমকি প্রদর্শন করে আসছে এই মাদক ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট সদস্যরা এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিন গিয়ে জানাযায়, মাদক ব্যবসায়ী স্বপনের ৬৫৫ পিস ফেন্সিডিল কে বা কাহারা নিয়েছে তা সঠিক ভাবে না যেনেই গভির রাতে ৬/৭ টি মোটরসাইকেল যোগে প্রায় ১৩-১৪জন মাদক ব্যবসায়ী সহ মনিগ্রাম ইউপির সদস্য আব্দুল মান্নান ও কামরুল (প্রশাসনের সোর্স পরিচয় দানকারী)কে সাথে  নিয়ে স্বপন (মাদক ব্যবসায়ী) একলাস নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আসে এবং অবৈধ্য মাল গুলো ফিরিয়ে দিতে বলে। একলাস মাল নেয়নি বলে অস্বীকার করলে উপস্থিত মাদক ব্যবসায়ীরা  তাকে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে চলে যায়। পরের দিন একলাস তার পারিবারিক মামলার কারণে পরিবারসহ রাজশাহী কোর্টে যান। কোর্টে  অবস্থানকৃত সময়ে একটি অপরিচিত মোবাইল নাম্বার থেকে একাধিক বার  ফোন দিয়ে  শহরের আলাদা আলাদা স্থানে দেখা করতে বলেন। এবং সর্ব শেষ বিকেলের বাড়ি ফেরার সময় ফোন করে বলা হয় মাল ফিরিয়ে না দিলে, তাকে গুম করে দেওয়া হবে। একলাস ভয়পেয়ে পরেরদিন একটি অভিযোগ লিখে প্রাথমিকভাবে থানায় জমা দেয় এবং বাড়ি চলে আসে। সেই অভিযোগ এর খবর পাওয়ার পর  মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যরা ৭ থেকে ৮ টি মোটরসাইকেল যোগে প্রায় ১৭/১৮ জন  প্রতি নিয়ত একলাসের এলাকায় ঘোরাঘুরি করে, এতে একলাসের ও তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পরেছে। র‍্যাব পরিচয় দানকারী  এক ব্যক্তি ফোন করে অবৈধ ভারতীয় পণ্য  ফেন্সিডিল গুলো ফিরিয়ে দিতে বলে। প্রশাসনের সোর্স পরিচয় দানকারী কামরুল ও মাল ফিরিয়ে দিতে বলে অন্যথায়  প্রশাসন দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেয়। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসীরা বলেন, মাদক ব্যবসায়ী দের এমন আচরন নতুন না প্রায় তারা এমন করে। অবৈধ মালের জন্য এলাকায় এমন আতঙ্কিত পরিবেশ সৃষ্টি করাতে আমরা ভিসন ভাবে আতঙ্কিত। সেই সাথে তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে,প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এলাকায় বড় ঝামেলার সৃষ্টি হবার আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগী একলাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা যে অভিযোগ শুনেছেন তা সঠিক। এই কাজ আমি করিনি। আমি আমার পরিবার নিয়ে আতঙ্কিত অবস্থায় আছি। ওরা যে কোন সময় আমার ক্ষতি করেদিতে পারে। আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানায়, প্রশাসন যেনো দ্রুত পদক্ষেপ নেই এবং আমি সহ আমার পরিবারকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করেন।

No comments

-->