শিরোনামঃ

৯৯৯ -এর কল্যাণে মাকে খুঁজে পেলেন ছেলে

৯৯৯ -এর কল্যাণে মাকে খুঁজে পেলেন ছেলে

অনলাইন ডেক্সঃ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ এক ব্যক্তির ফোনের সুবাদে হারানো মাকে খুঁজে পেলেন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা কেনু মিয়া।

উপজেলার কুরবান নগর ইউনিয়নের নতুন ব্রাক্ষণগাঁও গ্রাম থেকে শনিবার সকালে তাকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেলে কেনু মিয়ার হাতে তুলে দেন সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। গত ১১ দিন ধরে নিখোঁজ মায়ের সন্ধানে বিশ্বম্ভরপুর থানায় সাধারণ ডায়রিও করেছিলেন ছেলে কেনু মিয়া।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সুনামগঞ্জের স্থানীয় যুবক রাজিব সেন হেল্প লাইনে ফোন করে এ বিষয়ে সাহায্য চাইলে পরদিন ছেলে কেনু মিয়াকে খুঁজে বের করেন তারা। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেলের হাতে তুলে দেন হামিদা খাতুনকে।

রাজিব সেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার রাত আটটার দিকে আমার গ্রামের বাড়ি ব্রাক্ষণগাঁয়ে হাটছিলাম। এ সময় রাস্তার পাশে এক বৃদ্ধাকে মাটিতে শুয়ে থাকতে দেখি। ঠিকানা জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেননি। আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি দুই দিন ধরে এই জায়গায় অবস্থান করছেন তিনি।

'স্থায়ীয়রা তাকে খাবার ও শীতবস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছিলেন। বিষয়টি ৯৯৯ এ ফোন করে জানালে পুলিশ এসে উদ্ধার করে বৃদ্ধাকে। তার সঙ্গে কথা বলে নাম-ঠিকানা উদ্ধার করে।’

সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সহিদুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ৯৯৯ এ ফোন করে রাজিব সেন নামে একটি ছেলে আমাকে বিস্তারিত খুলে বললে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেই। তার ছেলেকে খুঁজে বের করে জানতে পারি বৃদ্ধা মাকে তারা গত ১১ দিন খোঁজাখুঁজি করছেন। ২০ জানুয়ারি বিশ্বম্ভরপুর থানায় ডায়রিও করেছিলেন। আমরা বৃদ্ধা মায়ের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া ব্যবস্থা করি।

হামিদা খাতুনের ছেলে কেনু মিয়া জানান, ১৯ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি হামিদা খাতুন। তাদের বাড়ি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের ব্রাক্ষণগাঁও থেকে শনিবার উদ্ধার হয় তার মা।

তিন ছেলে ও এক মেয়ের জননী হামিদা খাতুন বার্ধক্য জনিত নানা রোগে ভুগছেন।

No comments

-->