শিরোনামঃ

ঠাকুরগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায়, নির্বাক প্রশাসন-দেশবাংলা খবর২৪

ঠাকুরগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায়, নির্বাক প্রশাসন-দেশবাংলা খবর২৪ 



মোঃসোহেল রানা,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :ঠাকুরগাঁওয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়ে গুরুতর অবস্থায় আধুনিক সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন রেজাউল ইসলাম (৫০),অভিযোগ স্বজনদের। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটস্থলে আসলেও কাউকে আটক করতে পারেনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ বলছে জরুরি বিভাগে সিসি ক্যামেরা না থাকায় ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি জমি বিরোধের জেরে শহরের এসিল্যান্ড বস্তিতে আদম আলী ও রইসুল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে আধনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রইসুল গ্রুপের সদস্য রেজাউল ইসলামকে জরুরী বিভাগে পেয়ে সন্ত্রাসীরা প্রচন্ড মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে এবং তাদের মারের আঘাতে সয্যাটিও দুমরে মুচড়ে যায়।এসময় জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত কর্মচারী ও চিকিৎসক নিজের প্রাণ বাঁচাতে অন্যদিকে গিয়ে আশ্রয় নেয়। আধুনিক সদর হাসপাতালে জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত কয়েক জন কর্মচারী বলেন হাসপাতালে এধরনের ঘটনা ঘটলে আমাদের নিরাপত্তা দেবে কে ? কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: মেইসাম সোহবান বলেন জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেজাউলকে ৬/৭ জনের একটি দল এসে ব্যাপক মারধর করতে থাকে।

 এ সময় পুলিশ এসেও তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না।সরকার পাড়ার বাসিন্দা রাসেল, ইব্রাহীমসহ অনেকে বলেন হাসপালে এসে যদি সন্ত্রাসী হামলা চালায় তাহলে আমরা কোথায় বাস করছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসন কি ভূমিকা পালন করছে। বিষয়টি শুনার পর সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পৌরশহরের বাসিন্দা মোন্তাজুল ইসলাম বলেন হাসপাতালের ভেতরে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা ছাড়া কিছুই নয়।পৌরশহরের বিউটি বেগম বলেন ওই সন্ত্রাসীরা আমার ছোট দেবর রুবেলকে জামুরী পাড়া থেকে তুলে এনে মারপিট করে সঙ্গাহীন অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসাধান। 

এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার রকিবুল আলম জানান, ঘটনার সময় অনুপুস্থিত ছিলাম। জরুরি বিভাগ থেকে রোগীকে মারধর করা হচ্ছে জানালে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়া হয় তারা দ্রুতই ঘটনাস্থালে পৌছান। সন্ত্রাসীদের ধরার বিষয় পুলিশের, আমাদের নয়। তবে জরুরি বিভাগসহ প্রতিটিস্থানে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে।এ বিষয়ে সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম জানান, আমি জানতে পারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গোন্ডগোলের কথা। তাৎক্ষনিকভাবে সেখানে পুলিশ পাঠাই। তবে পুলিশ গিয়ে মারামারির ঘটনা পায়নি।

No comments

-->