শিরোনামঃ

নীলফামারীতে যৌতুকের জন্য ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে নির্যাতন-দেশবাংলা খবর২৪

নীলফামারীতে যৌতুকের জন্য ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে নির্যাতন-দেশবাংলা খবর২৪ 



সোহাগ ইসলাম নীলফামারী:

নীলফামারীতে যৌতুকের দুই লাখ টাকার জন্য এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শালমাড়া গ্রামে। নির্যাতিত মোছা. খাদিজা বেগম তার স্বামী আব্দুল মালেক ও তার পরিবার কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়। নির্যাতনকালে সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।

ডোমার থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে মোছা. খাদিজা বেগমের স্বামী আব্দুল মালেক, মালেকের পিতা নাসির উদ্দিন, ভাই সাদেকুল ইসলাম, বোন ওজিফা, সালমা, শারমিনসহ স্থানীয় মো. জাকের, আশরাফুল মিলে যৌতুকের দুই লাখ টাকার জন্য অমানবিক নির্যাতন চালায়। খাদিজার স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনেরা সে অন্তঃসত্ত্বা থাকা সত্ত্বেও আসামিরা তার চুলের মুঠি ধরে মারধর করে এমনকি তার তার তলপেটে আঘাত করে।

এই অবস্থায় স্থানীয় লোকজনেরা ছুটে আসলে খাদিজাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ও তার স্বামী পরিবার একটি ঘরে তালা লাগিয়ে রাখে। খাদিজার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখলে স্থানীয়রা ঘরের চার্টি ভেঙে খাদিজাকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। খাদিজাকে ঘর থেকে উদ্ধারকালে স্থানীয় লুনা বেগম নামে একজন আহত হয় এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

সরেজমিনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আমরা সবার জন্য ভালো। আমরা কারো পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলবো না। তবে যৌতুকের জন্য পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে এমনভাবে মারধর আমাদের এলাকায় বিরল ঘটনা, যা এর আগে এই এলাকায় ঘটেনি।এ বিষয়ে আব্দুল মালেকের ফুফু গলে বেগম বলেন, ‘খাদিজাকে ডাঙ্গে মারি রাখছে। কিন্তু যৌতুকের জন্য কি না তা জানি না। এ বিষয়ে খাদিজার স্বামী ও অন্যান্যদের সাথে কথা বলতে গেলে বাসায় কাউকে পাওয়া যায় না।’

 এ বিষয়ে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

No comments

-->