শিরোনামঃ

আসন্ন ইউপি নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের রেজুলেশন কে‌ন্দ্রে পাঠাতে আওয়ামী লীগের নির্দেশনা-দেশবাংলা খবর২৪

আসন্ন ইউপি নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের রেজুলেশন কে‌ন্দ্রে পাঠাতে আওয়ামী লীগের নির্দেশনা-দেশবাংলা খবর২৪ 

 ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ দেশে দ্বিতীয়বারের মতো রাজনৈতিক দলের পরিচয় ও প্রতীকে আগামী ১১এপ্রিল সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউ.পি) নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে।পর্যায়ক্রমে মোট ছয় ধাপে ৪ হাজার ২৭৫টি ইউ,পিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপে ভোট গ্রহণ করা হবে ২০টি জেলার ৬৩ টি উপজেলার ৩২৩ টি ইউ,পিতে।

এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর গঠণতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ২৮ (৩) (ঙ) অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ের আগ্রহী প্রার্থীদের প্যানেল তৈরী করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভার আয়োজন করে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে প্রার্থীদের একটি প্যানেল কেন্দ্রের সুপারিশের জন্য প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।

উক্ত প্যানেলটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগণের (৬জন) যুক্ত স্বাক্ষরিত, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর মাননীয় সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয় (বাড়ী ৫১/এ , সড়ক ৩/এ, ধানমন্ডি আ/এ ঢাকা) দপ্তর বিভাগে জমা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।

★প্রার্থী প্যানেল তৈরির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে :

১. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৮(৩) ধারা অনুযায়ী ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের পরামর্শ গ্রহণপূর্বক কমপক্ষে ৩ জনের একটি প্যানেল প্রস্তাব করতে হবে।

২. নির্বাচনী আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রস্তাবিত প্রার্থীদের নাম (জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী)-এর সাথে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রেরণ করতে হবে। উল্লেখ্য, প্রার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং রাজনৈতিক পরিচিতি সম্বলিত একটি সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত অবশ্যই প্রেরণ করতে হবে,যা বাধ্যতামূলক।


                          ★প্রেস বিজ্ঞপ্তি

তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

স্থানীয় সরকার (ইউ,পি) নির্বাচন আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে রাজনৈতিক দলের পরিচয় ও প্রতীকে নির্বাচন হবে। তবে সদস্য (মেম্বার) পদে আগের মতো নির্দলীয় নির্বাচন হবে। স্থানীয় সরকারের তৃণমূলের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে গ্রামগঞ্জে সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোও তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত তাদের নির্বাচনী কৌশল ও প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়ে তৎপরতা শুরু করেছে।

ইউপি নির্বাচন পরিচালনা বিধি অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত হতে হবে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তা লাগবে না। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ভোটারের সমর্থনসূচক সই লাগবে না।নির্বাচন পরিচালনা বিধিতে বলা আছে, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক অথবা সমপর্যায়ের পদাধিকারী বা তাঁদের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষর করা প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল একটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পারবে না। একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলে সংশ্লিষ্ট ইউ,পিতে ওই দলের সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাবে।

আচরণবিধিতে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপ, হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, সিটি করপোরেশনের মেয়র ও সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।

No comments

-->