শিরোনামঃ

দিনাজপুর বাংলা হিলিতে লোকসানে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করেছে ব্যবসায়ীগণ

দিনাজপুর বাংলা হিলিতে লোকসানে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করেছে ব্যবসায়ীগণ

রেজওয়ান আলী দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি-

দিনাজপুর বাংলা হিলিতে লোকসানে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করেছে ব্যবসায়ী গণ,তথ্য মতে জানা যায়। নানান জটিলতা শেষে চলতি বছরের ২রা জানুয়ারীতে স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি আরম্ভ হয়। কিন্তু প্রথমে দুই একটি ট্রাক আমদানি করে ব্যবসায়ীদের মোটা অংকের টাকা লোকসান দেখা দেয়। লোকসান গুনায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে হিলি স্থলবন্দরে। 

এসব কারনে অনুমতি থাকলেও পেঁয়াজ আমদানি করছে না হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানি কারক গণ। অন্যদিকে স্থানীয় খুচরা বাজারে আমদানি কৃত পেঁয়াজের সরবরাহ না থাকলেও কেজিতে ১০ টাকা দাম বেড়েছে দেশী পেঁয়াজের,প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি দরে। সরেজমিনে গিয়ে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়,বাজারে আমদানি কৃত পেঁয়াজের সরবরাহ নেই,তবে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ থাকলেও কিছুটা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই থেকে তিন দিনের ব্যবধানে দেশী পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বৃদ্বি পেয়েছে। 

পেঁয়াজের আমদানি বন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক বাবু জানান,ভারতের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের দাম বেশি ও সরকার পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করায় পেঁয়াজ আমদানি করে আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। ভারতে পেঁয়াজের দাম কমে আসলে আমদানি করলে আমাদের লোকসান হবে না। আশা করছি এই মাসের শেষের দিকে সে দেশে পেঁয়াজের দাম কমে আসবে তখন পূনরায় আমদানি আরম্ভ হবে। আমদানি কারক মাহফুজার রহমান বাবু আরও জানান, আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর থেকে প্রথমবার আমি এই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করেছি। পেঁয়াজ আমদানি করে প্রতি ট্রাকে আমাকে মোটা অংকের লোকসান গুনতে হয়েছে। 

কারন দেশের বাজারে আমদানি কৃত পেঁয়াজের থেকে দেশীয় পেঁয়াজের মান ভালো ও দাম কম থাকায় ভোক্তারা সেই পেঁয়াজের চাহিদা বেশি দেখায়। তাই আমদানিকৃত পেঁয়াজের চাহিদা না থাকায় আমদানি করে প্রতি ট্রাকে লোকসান গুনতে হয় আমার মতে অন্য আমদানি কারকাও পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রেখেছে। বাজার স্বাভাবিক হলে আবার পেঁয়াজ আমদানি আরম্ভ হবে মর্মে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।

No comments

-->