শিরোনামঃ

কুষ্টিয়ায় ময়লার স্তূপে গৃহবধূর মরদেহ !! স্বামী পলাতক

 কুষ্টিয়ায় ময়লার স্তূপে গৃহবধূর মরদেহ !! স্বামী পলাতক


শাহীন আলম লিটন , কুষ্টিয়া প্রতিনিধি !!! 

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বসতঘরের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে রেশমা (২৬) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের ওহাবের ছেলে সুমনের ঘরের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত ব্যক্তি সুমনের স্ত্রী এবং কুমারখালী পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে।।তবে ঘটনার পর থেকেই ঘাতক স্বামী পলাতক রয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে সুমনের সাথে রেশমার বিয়ে হয়।গত দুইদিন যাবৎ রেশমা নিখোঁজ ছিলেন।শনিবার দুপুরে স্থানীয়দের নাকে পচা দুর্গন্ধ লাগলে গন্ধের কারন খুজঁতে থাকে।একপর্যায়ে সুমনের বসতঘরের পাশে ময়লার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধ ছোড়ানোর ব্যাপার নিশ্চিত হলে স্তূপের কাছে যায় তারা।পরে স্তূপে মানুষের হাতের তিনটি আঙ্গুল দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।পুলিশ এসে ময়লার স্তূপ থেকে একজন মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে এবং মরদেহটি দেখে গৃহবধূ রেশমার বলে শনাক্ত করেন নিহতের ভাই সুজন।পরে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। নিহতের ভাই সুজন বলেন স্বামীর বাড়ি থেকে আমার বোন নিখোঁজ হওয়ার পর সম্ভাব্যস্থানে অনেক খোজাঁখুজিঁ করেও পাইনি।পরে দুপুরে লোকমুখে শুনলাম সুমনের বাড়ির পিছন থেকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।তিনি আরো বলেন, আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।এর উপযুক্ত বিচার চাই। এবিষয়ে কুমারখালী থানার ওসি মজিবুর বলেন, স্থানীয়রা পচা গন্ধ ও ময়লার স্তূপে হাতের আঙ্গুল দেখে পলিশকে খবর দেয়।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে একটি মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে।পরে নিহতের ভাই মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়।তিনি আরো বলেন,প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে হত্যা করা হয়েছে এবং স্বামী পলাতক রয়েছে।

No comments

-->