শিরোনামঃ

রাজশাহীতে প্রতিবাদী মানববন্ধনে বক্তারা শিক্ষা সেক্টরে বিএনপি-জামায়াতেরই পুনবার্সন হচ্ছে

 রাজশাহীতে প্রতিবাদী মানববন্ধনে বক্তারা শিক্ষা সেক্টরে বিএনপি-জামায়াতেরই পুনবার্সন হচ্ছে



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী শক্তি শিক্ষা সেক্টরে জেঁকে বসে রয়েছে। শিক্ষায় বিএনপি-জামায়াতেরই পুনবার্সন হচ্ছে। আজ কোনো জাবাবদিহিতা নেই। যারা দেশের সুনাম নষ্ট করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে না। 


মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোকবুল হোসেনের লাগামহীন অনিয়ম-দুনীর্তির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী 

মানবন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।


রাজশাহী প্রেসক্লাব ও স্মৃতি পরিষদের সভাপতি সাইদুর রহমানের 

সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক আসলাম-উদ-দৌলার সঞ্চালনায় 

অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য বিশিষ্ট কলামিস্ট ও স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রশান্ত কুমার সাহা। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন স্মৃতি পরিষদের সহঃ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ইকবাল বাদল, রাজশাহী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নুরে ইসলাম মিলন, বাগমারার দ্বীপপুর ইউনিয়নের মহিলা সদস্য ফাতেমা খাতুন,হাসিনা বানু, বিসিএসআইআর রাজশাহীর চাকরিচ্যুত কর্মচারি ত্রিশুল কুমার প্রমূখ।


মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, দুনীর্তিবাজ-লুটেরাদের জন্য বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে বিলম্ব হচ্ছে। একটি চক্র সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে লাগামহীন অনিয়ম-দুনীর্তি করে চলেছেন। যার অন্যতম চরিত্র রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোকবুল হোসেন। বিএনপি পরিবার থেকে উঠে এসে নানামুখী অনিয়ম-দুনীর্তিতে জড়িয়ে এখন আওয়ামী লীগ সরকারের সুনাম নষ্ট করছেন তিনি। তারদুর্ব্যবহারে রাজশাহীর বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ। 

সম্প্রতি স্থানীয় এক সাংবাদিকের সাথে দাম্ভিকতা প্রদর্শন করে জাতির বিবেকদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন বোর্ড চেয়ারম্যান। শিক্ষা সেক্টর থেকে এসব কালো চরিত্রের মানুষকে বিদায় করতে হবে। 

এসব কর্মকাণ্ড ও সাংবাদিকের সাথে দুর্ব্যবহারের বিষয়ে প্রফেসর মোকবুল হোসেনকে প্রক্যাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানিয়ে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন অব্যহত থাকার 

ঘোষণা দেন বক্তারা।

এ দিনের কর্মসূচিতে শহীদ পরিবারের সদস্য ডা. রোকনুজ্জামান রিপন, স্মৃতি পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হক দুখু,প্রচার সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান, সদস্য মো. শরিফ উদ্দীন,সাগর 

নোমানি, আরিফুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান শুভ,আলামিন হোসেন, কাটাখালি শাখার আহবায়ক খোকনুজ্জামান মাসুদসহ বিভিন্ন শ্রেণীপ্রেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।

No comments

-->