শিরোনামঃ

চিরিরবন্দরে স্বপ্নের ঘরের চাবি পাচ্ছেন অসহায় ২১৫টি পরিবার

 চিরিরবন্দরে স্বপ্নের ঘরের চাবি পাচ্ছেন অসহায় ২১৫টি পরিবার


রেজওয়ান আলী(দিনাজপুর) প্রতিনিধি-

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ২১৫টি অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। আশ্রয়ণের অধিকার,শেখ হাসিনার উপহার’মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ২১৫টি অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। 

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তৈরি হচ্ছে এসব গৃহহীনদের জন্য স্বপ্নের বাড়ি। চারদিকে ইটের দেয়াল মাথার ওপরে দেয়া হচ্ছে লাল ও সবুজ রঙের টিনের ছাউনি।

চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া ও দক্ষিণ নগর গ্রামসহ পাঁচটি পয়েন্টে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ৪৩টি পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। 

প্রতিটি ঘরের খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। ঘরগুলো নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। সরেজমিন উপজেলার ইসবপুরের নয়াপাড়া গ্রাম ও দক্ষিণ নগর গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়ে দেখা গেছে, বাড়িগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে লাল রঙের টিন। দুই রুম বিশিষ্ট বাড়িতে রয়েছে একটি রান্না ঘর ও টয়লেট। বাড়িগুলোর নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়। এখন রং ও দরজা জানালার কাজ চলছে।

আগামী ২৩শে জানুয়ারি শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের ন্যায় চিরিরবন্দরে এই আশ্রয়ণ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই কার্যক্রমকে সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো.মনোয়ারুল ইসলাম বলেন,ঘরগুলো নির্মাণ কাজের শুরু থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা সিদ্দীকা নিজেই উপস্থিত থেকে দেখভাল করছেন। 

কাজের যেন কোনো অনিয়ম না হয় সেই দিকে সব সময় নজর রাখছেন।

চিরিরবন্দর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরতিজা হাসান বলেন,মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সরকারি খাস জমির ওপর গৃহনির্মাণ করে জমির দলিলসহ ১০০ উপকারভোগীর কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান।

চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা সিদ্দীকা বলেন,মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। উপজেলায় ২১৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছেন ওই ঘরগুলো। খুব দ্রুতই নির্মাণ কাজ শেষ করে ঘর গুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে তিনি জানান। 


No comments

-->