শিরোনামঃ

তানোর পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে ফের বেপরোয়া মাদক সম্রাজ্ঞী শরিফা

 তানোর পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে ফের বেপরোয়া মাদক সম্রাজ্ঞী শরিফা 


সোহেল রানা রাজশাহী প্রতিনিধি

 রাজশাহীর তানোর পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের মধ্যস্তরে মাদকের ছড়াছড়ি।প্রতিনিয়ত দেখা মিলছে বহিরাগত তরুণ যুবক ও মাজবয়সি মাদকসেবনকারীদের। 


ঠাকুর পুকুরের মাদক সম্রাজ্ঞী শরিফার বাড়ি সহ কয়েক টি বাড়িতে। তানোর থানা পুলিশের অভিযানে মাদক বিক্রি বন্ধ হওয়ার পর।নতুন কৌশলে ফের আবারো  হাত বাড়ালেই মিলছে সর্ব মাদক। এতে করে এলাকার উঠতি বয়সের যুবকরা হরহামেশাই হাতের কাছে মাদক পাওয়ায় বেড়েছে সেবনকারীর সংখ্যা। তানোর সদর ও আশপাশের আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে মাদকের অভয়ারণ্য যা পুলিশের অভিযানে কিছু দিন আগে বন্ধ ছিল। তবে পুরাতন মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ঢিল দিলেও নতুন করে বেড়েছে মাদক ব্যবসায়ী সংখ্যা। তানোর পৌর এলাকার ঠাকুরপুকুর গ্রামের বেশ কিছু মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ছেড়ে দিলেও শরিফা নামের এক মহিলা নতুন কৌশল অবলম্বন করে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা হেরোইনের ভয়াবহ মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছেন। 


জানা গেছে, মাদক সম্রাজ্ঞী শরিফা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়িতে বসে থেকে ইয়াবা হেরোইনের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও আশপাশের মাদক সেবীদের কাছে মোটরসাইকেল যোগে মাদক সাপ্লাই দিয়ে আসছেন তার দুই সন্তান ইমরান ও ইমন।

পাড়ায় বেড়েছে বহিরাগত তরুণ মাদকসেবী এতে করে ইয়াবা হেরোইন সম্রাজ্ঞী শরিফার মাদক ব্যবসা দিন দিন প্রকাশ্যে রূপ ধারণ করায় অভিভাবকরা ছেলে-মেয়েদের নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। 


স্থানীয়দের দাবি, এখনো হেরোইন ইয়াবা সম্রাজ্ঞী শরিফার ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে তার মাদক ব্যবসা। তাই এখনি সময় থাকতে শরিফার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মাদকের থাবা থেকে বের হতে পারবেন না বলেও অভিভাবকদের অভিযোগ। 



এবিষয়ে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন, ইতিমধ্যে উপজেলার প্রায় মাদকের স্পষ্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে নতুন কৌশল অবলম্বন করে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা করছে। অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

No comments

-->