নতুন প্রকাশিতঃ

নীলফামারীতে আবারো হাড় কাঁপানো শীত জনজীবন বিপর্যস্ত

নীলফামারীতে আবারো হাড় কাঁপানো শীত জনজীবন বিপর্যস্ত

ইব্রাহিম সুজন, নীলফামারী প্রতিনিধি: মাঘের শুরুতে হাড় কাঁপানো শীত ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডায় নীলফামারীর জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।  রাতভর কুয়াশা ও অতিরিক্ত ঠান্ডায় জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

শনিবার  (১ জানুয়ারী)  সকালে নীলফামারী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে রেকর্ড করা হয়েছে। আগামীতে কয়েকদিন তাপমাত্রার আরো কমতে পারে বলে জানান তিনি এদিকে, অব্যাহত কুয়াশা ও ঠান্ডায় কাতর হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকে গোটা জনপদ। শীতের প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলোর কষ্ট বেড়েই চলেছে। নীলফামারী উপজেলার ঝুঁঁনাগাছা চাপানী ইউনিয়নের সোনাখুলি গ্রামের হামিদুল হক কৃষক বলেন, একেতো এবার কয়েক দফা বন্যায় আমাদের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। তার ধকল কাটতে না কাটতেই আবার বারবার শীতের ধকল কৃষিতে পড়েছে।

বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগাম কৃষি কাজ শুরু করেছি। কয়েক সের জমিতে বোরো বীজ লাগিয়েছি। কুয়াশার কারনে কিছু বীজতলা ঠান্ডায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম।অন্যদিকে, অতিরিক্ত ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার নদনদী তীরের চরের হতদরিদ্র মানুষ। এসব মানুষ সকাল হলেই কাজে বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু এ ঠান্ডায় দুপুর পেরিয়ে গেলেও কাজে যেতে পারছেন না। ফলে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে। 

এছাড়াও শীতজনিত ডায়রিয়া, আমাশয়, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ ব্যাধি বাড়ছে।হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসছেন আক্রান্ত মানুষজন। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ।পলাশবাড়ীর এক মহিলা জানান, তার মেয়ের বয়স মাত্র ২ মাস। তাকে ডায়রিয়া ও সর্দিকাশিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

No comments

-->