নতুন প্রকাশিতঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা এলাকায় ভূমিহীন আ:রহিমের পরিবারের উপর প্রতিপক্ষগণের নারকীয় তান্ডব।

 রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা এলাকায় ভূমিহীন আ:রহিমের পরিবারের উপর প্রতিপক্ষগণের নারকীয় তান্ডব।


মোঃ আলাউদ্দিন মন্ডল:


রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা এলাকায় খয়রা গ্রামে মো:আব্দুর রহিম সরকারের ১নং খাস খতিয়ান এর ৪০৮ নং দাগের ৬৩ শং এর কত ২৫ শং জমির উপর দীর্ঘ প্রায় ১৩/১৪ বছর যাবত ঘর বাড়ী নির্মাণ করিয়া বসবাস করিয়া আসিতেছেন।সে ভূমিহীন কৃষক হওয়ায় সরকার উক্ত জমির কিছু অংশের উপর বাড়ী নির্মাণ করিয়া দিলে তার সামনে রহিমের পুরাতন বাসের বেড়া উপরে টিন দিয়া করা বাড়িটি

তার প্রতিবেশী চাচা বয়স্ক, লেবাসধারী লম্পট হিসেবে এলাকায় তার পরিচিতি আছে।তার নাম মোঃ মহসিন আলী (৬২),তার সন্তান গুলো পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত  হইয়াছে পিতার বদ স্বভাব বলে জানান ভুক্তভুগী মোঃ আব্দুর রহিম।


তিনি আরো জানান তার প্রতি ঘটে যাওয়া নারকীয় তান্ডবের কাহিনী ।

বিগত ৩০/১২/২০২০ ইং  সময় প্রায় ২.৩০ ঘটিকায় উক্ত লেবাস ধারী মোঃ মহসীন আলীর নির্দেশে তিনি সহ  তার সন্তানগণ মোস্তফা,এখতার সহ কিছু সন্ত্রাসী মোঃ রজব,পিতা মুকসেদ আলী,আব্দুল,পিতা মৃত মোঃ সিদ্দিক,মেছের,পিতা অজ্ঞাত,আরমান,পিতা মৃত শামসুদ্দিন,সর্ব গ্রাম খয়রা, পো: দিগ্রাম,থানা গোদাগাড়ী,জেলা রাজশাহী সহ আরো অজ্ঞাত নামা ৭/৮ জন লোক হাতে মারাত্বক দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া, ফালা,লাঠি,হকিস্টিক,পাসলি,চাপাতি লইয়া আব্দুর রহিমের বাড়ীটি ভাঙ্গচুর,লুটপাট চালাইয়া এক ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করিয়া আব্দুর রহিমের পুরাতন বাড়ির উপর চড়াও হয়।আব্দুর রহিম কে ধরিয়া সকলে মিলিয়া এলোপাথাড়ি কিল,ঘুষি, লাথি মারিয়া মাটিতে ফেলিয়া তার গলার উপর মোস্তফা পা তুলিয়া স্বাসরোধ করিয়া হত্যার চেষ্টা করিলে তার স্ত্রী সুমি বেগম স্বামীকে উদ্ধার করতে আসিলে প্রতিপক্ষগণ তাকে টানা হেচড়া করিয়া প্রায় বিবস্ত্র করিয়া কাপড় চোপড় ছিরিয়া ফেলেন  এবং স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দিয়া শ্লীলতাহানীর কারণ ঘটায়।ততক্ষনে বাড়ীটি পুরোটাই ভাঙ্গিয়া ফেলে।

বিষয়টির কোন প্রতিকার বা ন্যায় বিচার না পাইয়া অত্র প্রতিবেদক এর নিকট লিখিত দরখাস্ত দাখিল করেন এবং অনুনয় করেন যেন আমরা বিষয়টি সরেজমিনে দেখি।


মানবিক কারণে আমরা ০২/০১/২১ ইং তারিখে বেলা অনুমান প্রায় দুই ঘটিকায় ঘটনা স্থলে উপস্থিত হইয়া চারিদিকে ছড়ানো ছিটানো টিন,বেড়া শোকেস,ইত্যাদি দেখিতে পাই।

পাশাপশি দুটি রান্নার চুলা দেখি।২/৫ দিন পূর্বেও যে চুলাটিতে রান্না হইয়াছে তা যে কেউ বুঝতে পারবে।কারণ চুলাটি ভাঙচুর হইলেও চিন্হটি রহিয়াছে। 

ভুক্তভুগী র স্ত্রী সুমি বেগমকে তার প্রতি কি অন্যায় ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি একটি কাপড় দেখান যার দুই  দিকে বেশ কিছু অংশ ছেড়া কাপড়। তিনি জানান আমাকে কিল,ঘুষি, লাথি মারিয়া মাটিতে ফেলিয়া দিয়া প্রায় বিবস্ত্র করিয়া ফেলে।প্রতিবেশী দুইজন  বীর মুক্তিযোদ্ধা আসিয়া আমাদের প্রতিপক্ষদের কবল হইতে উদ্ধার করে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে উক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা রসদুল ও ডাক্তার আবুল কালাম আসেন।তাদের ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে উল্লেখিত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।লম্পট স্বভাব বিষয়ে অকপটে তারা বলেন মহসীন আলীর পরিবারের সবাই ঐ রকম,এটা তাদের ব্লাডের দোষ।

মোঃ আব্দুর রহিম উল্লেখ করেন যে "প্রায় ৪/৫ মাস পূর্বে মহসীন আলী আমার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দিলে আমার  স্ত্রী বিষয়টি 

আমাকে জানাইলে আমি প্রতিবেশী লোকজন ও ময় মুরব্বিদের জানাইলে।মহসীন আলীর পরিবারের লোকজন আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হইয়া উঠেন। এবং আমাকে যে কোন উপায়ে উচ্ছেদ করিবার হুমকি প্রদান করেন, যার ফল স্বরূপ আমার বাড়ী ঘর ভাং চুর ও লুটপাট করেন"।গোদাগাড়ী থানাকে কেন জানাননি প্রশ্ন করা হলে সে জানান আমরা গরীব মানুষ থানায় গিয়ে কোন প্রতিকার পাইনি, তা ছাড়া পুলিশ প্রতিপক্ষ গণের পক্ষে কাজ করবে,কারণ পুলিশের সহিত তাহাদের বেশ ভাল দহরম মহরম রহিয়াছে।

এমতাবস্থায় বলা যায় বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে।

No comments

-->