নতুন প্রকাশিতঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল পৌর নির্বাচনে ৭ বিদ্রোহী প্রার্থীর ৫ জনকে দল থেকে বহিষ্কার।

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল পৌর নির্বাচনে ৭ বিদ্রোহী প্রার্থীর ৫ জনকে দল থেকে বহিষ্কার।

মোঃসোহেল রানা, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৭ বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে ৫জনকে বহিস্কার করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা।২৭ জানুয়ারী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মু.সাদেক কুরাইশি এবং সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় সাক্ষরিত এক পত্রে তাদের শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্রের ৪৭ ধারা এবং ১১ উপধারা মোতাবেক তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ সহ সর্বস্তরের পদ পদবী হতে বহিস্কার করা হয়। বহিস্কৃতরা হলেন রানীশংকৈল উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বর্তমান মেয়র আলমগীর সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য ইস্তেখার আলম, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিউল ইসলাম,সদস্য সাধন বসাক, সদস্য রুকুনুল ইসলাম ডলার।

জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় জানান, রানীশংকৈল পেীরসভা নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমানকে নৌকা প্রতীক মনোনয়ন দেয়। কিন্তু বহিস্কৃতরা দলীয় শৃঙখলা না মেনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন যা আওয়ামীলীগের প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা বিরোধী। তাই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্র মোতাবেক তাদেরকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়।

তবে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নওরোজ কাউসার কানন এবং উপজেলা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালেককে এখনো বহিস্কার করা হয়নি।

এ ব্যাপারে জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ আপেল জানান, উপজেলা পর্যায়ের যুবলীগের কোন নেতাকে বহিস্কার করার ক্ষমতা তাদের নেই। কেন্দ্রের নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরদিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সুনামও একই মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ১২ জন প্রতিদন্দিতা করছেন।তন্মধ্যে আওয়ামীলীগ মনোনীত মোস্তাফিজুর রহমান (নৌকা) প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন একই দলের আরো ৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য, যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আলমগীর সরকার(ক্যারাম বোর্ড) উপজেলা আওয়ামীগের সাবেক সদস্য ইসতেগার আলম (মোবাইল ফোন), সদস্য রুকুনুল ইসলাম ডলার (রেল ইঞ্জিন), পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিউল ইসলাম (কম্পিউটার), পৌর আ’লীগের সদস্য ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধন বসাক (নারিকেল গাছ), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নওরোজ কাউসার কানন (চামুচ) উপজেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক আব্দুল খালেক (জগ)।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুন নবী পান্না বিশ্বাস (ধানের শীষ) এর বিরুদ্ধে পৌর বিএনপির সদস্য মোখলেসুর রহমান (হ্যাঙ্গার) বিদ্রোহী প্রার্থী হলেও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। জাতীয় পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন আলমগীর হোসেন (লাঙ্গল) । এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মোকাররম হোসাইন ( ইস্ত্রি)।

আগামী ১৪ ফ্রেবুয়ারী ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ পৌরসভায় মোট ভোটার ১৪,৭০২ জন। পুরুষ ৭,৩১২ জন এবং নারী ভোটার ৭,৩৯০ জন ।

No comments

-->