শিরোনামঃ

আজ বিশ্ব যুদ্ধ অনাথ শিশু দিবস

 আজ বিশ্ব যুদ্ধ অনাথ শিশু দিবস


শেখর চন্দ্র সরকার স্টাফ রিপোর্টার :

আজ ইংরেজি সালের জানুয়ারি মাসের ষষ্ঠ দিন "বিশ্ব যুদ্ধ অনাথ শিশু দিবস"। মা-বাবা নেই এমন শিশুদের সাধারণত অনাথ বলা হয়।

অবশ্য যে শিশু উপার্জনে অক্ষম পূর্ণ বয়স হয়নি নিজের খাবার অন্ন বস্ত্র বাসস্থান নেই এরকম শিশুদের অনাথ বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। আর যারা উপার্জন করতে শিখেছে নিজের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম তাদের অনাথ বলা যায় না। বাবা-মা মারা গেছে বা নিখোঁজ অথবা বাবা-মা ত্যাগ করেছেন তারাই মূলত অনাথ।

কথাটা অপ্রিয় হলেও সত্য যে, বিশ্বের ধনী-গরিব বৈষম্যটা যেন এই অনাথ শিশুদের সাথেও জড়িত! 

শাসন আর নিপীড়িত এই বিশ্বে ধনী বা সুখী দেশগুলোতে এর সংখ্যা কম হলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত ও গরিব দেশে এদের সংখ্যা একটু বেশি বটে! 

অনাথ সৃষ্টি হয়েছে মূলত বিশ্ব যুদ্ধ মহামারী অনেক ধরনের অসুখ যেমন এইডস আরও ভালভাবে দেখতে গেলে দেখা যায় পৃথিবীতে একেকবার একেক ধরনের মহামারী এসে পিতা-মাতার পিতা মাতার মৃত্যুর কারণে অনেকে অনাথ হয়ে যায়।এই ধরনের অনাথ শিশুই একদিন এতিম অথবা টোকাই নামে পরিচিতি পায়।

সর্বোপরি আজকের এই দিনটাকে "বিশ্ব যুদ্ধ অনাথ দিবস" হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাই অনাথ  এতিম শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন দেশের সংবিধানে  অনাথ শিশুর সুরক্ষা ও ন্যায্য অধিকার যেন পায় সেই লক্ষে সরকারি  বেসরকারি, জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান কাজ করে চলেছে। বৈষম্য কমাতে এতিমখানা অনাথ আশ্রম সহ সবরকমের সুযোগ-সুবিধা প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে চলেছে  তাতে অবহেলিত এই অনাথ শিশুরা কতটুকু  উপকৃত হয়েছে তার সঠিক তথ্য আমার জানা নেই।

সাধারণ শিশুদের মতো তারাও যেন শিক্ষা অন্ন বস্ত্র বাসস্থান ও সামাজিক মর্যাদা পায় তার লক্ষ্যে আমাদের দেশেও ৬ জানুয়ারি পালন করা হয় "বিশ্বযুদ্ধ আনাথ দিবস"।

ঈশ্বরের এই সুন্দর সৃষ্টির মাঝে রয়েছে মানব জাতির হিংসা-বিদ্বেষ আদিকাল থেকেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মহামারী ছাড়াও চলমান ইরাক-কুয়েত আফগানিস্তান যুদ্ধ সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ গুলোতে অনাথের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।  মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অমানবিক হত্যা এবং বর্তমান মহামারী করোনাতে অনাথের সংখ্যা আরও বেড়েছে। 

তাই আসুন আজকের দিনটিতে আমরাও সমবেদনা জানাই সকল অনাথ শিশুদের। আর যুদ্ধ নয় নিশ্চিত ভবিষ্যৎ ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক সকল শিশুদের।

আজকের শিশু'ই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ ।



No comments

-->