নতুন প্রকাশিতঃ

৩০ বছর আগে বিক্রিত সম্পত্তি পূণরায় বিক্রি,বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনা

৩০ বছর আগে বিক্রিত সম্পত্তি পূণরায় বিক্রি,বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনা 

মো রাকিবুল হোসেন,কুষ্টিয়া, কুমারখালি প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নে ৩০ বছর আগে বিক্রিত জমি পূণরায় বিক্রি করায় বড় ধরনের সংঘাতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আত্তাব উদ্দিন মন্ডল গং উত্তর অংশে সম্পত্তি ক্রয় করে বাড়ি ও দোকানঘর নির্মাণ করে বসবাস করাকালীন শত্রুতাবশত দক্ষিণ অংশের ভোগদখলকারী আফতাব উদ্দিন মোল্লা উওর অংশের জমি বিক্রি করেছে বলে জানা গেছে। 

ভুক্তভোগী আত্তাব উদ্দিন মন্ডল বলেন তারা বর্তমান শরীক ৮ জন জগন্নাথপুর মৌজার আরএস ৯৩৯ নং দাগের ১ একর ৪২ শতাংশ জমির রেকর্ডীয় মালিক মাহাতাব উদ্দিন ও নিজামউদ্দিনের নিকট থেকে ১৯৮৯ সালে ২০৯৯ নং দলিলে ৪১ শতাংশ, ১৯৯৮ সালে ২১১৭ নং দলিলে ২৬ শতাংশ এবং অপর রেকর্ডীয় মালিক লোকমান মোল্লার নিকট থেকে ১৯৯০ সালে ৩৯ শতাংশসহ মোট ১ একর ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে। যথাক্রমে নিজেদের মধ্যে মৌখিক এওয়াজের মাধ্যমে বসতবাড়ি ও দোকানঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছেন। এবং রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসূরী আফতাব উদ্দিন মোল্লা এই দাগের দক্ষিণ অংশে ৩৫ শতাংশ সম্পত্তি ভোগদখল করছিলেন। কিন্তু হটাৎ করেই তারা জানতে পারেন আফতাব উদ্দিন মোল্লা ২০২০ সালের শেষের দিকে জোসনা খাতুনের নিকট তাদের বসবাসরত উত্তর অংশের কামাল মন্ডলের বসতবাড়ির অংশে হাতনকশায় দলিল প্রস্তুত করে কুমারখালী সাব রেজিস্ট্রার অফিসের মাধ্যমে ২৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। বিক্রির পর থেকেই জোসনা খাতুন বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছেন তাদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য। তিনি আরো বলেন আমরা ৩০ বছর যাবত বসবাস করছি উওর অংশে হটাৎ করেই আমাদের নিঃস্ব করার জন্য আফতাব মোল্লা প্রভাবশালী নাজমা খাতুনের নিকট তাদের বসতবাড়ি উল্লেখ করে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। অথচ দক্ষিণ অংশে তার ৩৫ শতাংশ জমি রয়েছে।

৮ জনের মধ্যে আরেক অংশীদার গ্রাম্য ডাক্তার সজিব হোসেন জানান, নাজমা খাতুন জমি অবৈধভাবে ক্রয় করার পর থেকে তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি সহ বিভিন্নভাবে নাজেহাল করছেন। ইতিমধ্যে তাদের জীবন অতিষ্ট করে ফেলেছে। উল্লেখিত জমির বিভাগ বন্টনের মামলা চলমান অবস্থায় কিভাবে জমি বিক্রি হয়েছে এটা তাদের বোধগম্য নয়।

No comments

-->