শিরোনামঃ

দিনাজপুরের বিরামপুরে শৈত্যপ্রবাহে জন জিবন বিপাকে

দিনাজপুরের বিরামপুরে শৈত্যপ্রবাহে জন জিবন বিপাকে

রেজওয়ান আলী,দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি-দিনাজপুরের বিরামপুরে হাঁড় কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন। জেলার বিরামপুর উপজেলা তথা পৌরসভা সহ শহরের ছিন্নমুল খেটে খাওয়া শ্রমজীবি সর্বস্তরের জনগণের। উপজেলার শৈত্য প্রবাহ,কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে দিনের প্রথম ভাগ। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেডলাইটের বাতি জ্বালিয়ে যানবাহনকে সড়ক পথে চলাচল করছে। শীতের সাথে কনকনে বাতাসের ঠান্ডায় নাজেহাল হয়ে পড়েছে ছিন্নমুল খেটেখাওয়া শ্রমজীবি মানুষ। 

দিনমজুর ও ক্ষেতমজুররা সহ ছাত্র-ছাত্রী সহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ এই কঠিন ঠান্ডায় চলাচল ব্যাহত। এদিকে গত কয়েকদিন থেকে পুরাতন গরম কাপড়ের দাম তেমন না থাকলেও আজ থেকে বেড়ে তিন থেকে চারগুণ দামে বিক্রি করছে ওইসব পুরাতন গরম কাপড়। পুরাতন গরম কাপড় কিনতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছেন নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো।

গতকাল থেকে তীব্র শীত,ঘন কুয়াশা আর কনকনে বাতাসের কারণে দিনমজুর ও ক্ষেতমজুর পরিবারগুলো কাজ করতে না পারায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন ওইসব পরিবার। গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন নিম্নবিত্তরা।

শীতের সাথে কনকনে বাতাসের কারণে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না কেউ। স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি একেবারেই কমে গেছে। 

শীতের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো থাকছে ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে। হোটেলগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা অর্ধেকে নেমেছে। এ বিষয়ে গাড়ী চালকগনের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন,ঘন কুয়াশার কারণে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামলেই আতঙ্কের মধ্যে পথ চলতে হচ্ছে। গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়েও সামনের পথ গজ দুরেও কিছু দেখা যায় না। বিরামপুর উপজেলার রিকশা চালকেরা বলেন,তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার জন্য গতকাল থেকে তেমন কোন আয় রোজগার করতে পারেননি,তাতে করে আমাদের সংসার চালাতে খুবই কষ্ট। 

এমন বক্তব্য প্রদান করেন ভূক্ত ভোগীরা। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.আব্দু্ল্লাহ আল মাহমুদ জানান, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে যেসব শিশু ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধা চিকিৎসা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে খুব বেশী অসুস্থ রোগীদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

No comments

-->