শিরোনামঃ

ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জমিসহ বাড়ি উপহার দিলেন : ভান্ডারিয়ায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক।

ভূমিহীন  ও গৃহহীনদের জমিসহ বাড়ি উপহার দিলেন : ভান্ডারিয়ায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক। 

অনলাইন ডেক্সঃ পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার সকল ইউনিয়নের প্রায় শতাধিক পরিবারকে জমিসহ পাকা বাড়ি উপহার দেবেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম।

জাতির পিতা "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান" এর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে ভাণ্ডারিয়া সদর, ১নং ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়ন, ২নং নদমূলা শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন, ৩নং তেলখালী ইউনিয়ন, ৪নং ইকড়ী ইউনিয়ন, ৫নং ধাওয়া ইউনিয়ন ও ৭নং গৌরিপুর ইউনিয়নের শতাধিক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রতিটি বাড়ি ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা খরচে নির্মাণ করে হস্তান্তর করা হবে।

জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নে থাকবে একটি করে "বঙ্গবন্ধু পল্লী" । প্রতিটি পল্লীতে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন ১৪-১৬ টি পাকা বাড়ি নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি বাড়িতে থাকবে ২টি করে শোবার ঘর, রান্নাঘর, বাথরুম ও বারান্দা। এছাড়াও থাকবে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ও পানির সু-ব্যবস্থা। পল্লীর বাসিন্দাদের জন্য থাকবে পুকুর, শিশুদের শারীরিক বিকাশের জন্য থাকবে খেলার মাঠ, বাড়ির সামনে থাকবে ৫ ফুট প্রশস্ত রাস্তা। প্রতিটি বাড়ির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২ শতাংশ করে জায়গা।

এ বিষয়ে মিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন ‘মুজিববর্ষে বাংলাদেশে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না’। তার ধারাবাহিকতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ৭ ইউনিয়নের অসহায় গৃহহীন পরিবার গুলো মাঝে পাকা বাড়ি বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা জমি ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

তিনি বলেন, আমাদের জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে,আশ্রয় পাবে,শিক্ষা পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায়। প্রধানমন্ত্রীর এমন উন্নয়ন, গতিশীল নেতৃত্ব, দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা পুরো বিশ্বের কাছে এক চমক।

মিরাজুল ইসলাম বলেন, ভাণ্ডারিয়া উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়তে চাই। আমি সব সময় উপজেলাবাসীর পাশে আছি, থাকবো ইনশাল্লাহ। এলাকাবাসীর সুবিধার্থে হাসপাতালের চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার জন্য আর্থিক সহযোগিতা, দ্রুত রোগী পরিবহনের জন্য অ্যাস্বুলেন্স কেনা, লকডাউনে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়া, উপজেলায় কন্টোল রুম ও হট লাইন সার্ভিস চালু, নিম্ন আয়ের মানুষকে সহায়তা, দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে অটোরিক্সা বিতরণ সহ তার অসংখ্য কর্মকাণ্ড প্রশংসনীয়।

No comments

-->