শিরোনামঃ

লোহাগড়ায় লক্ষী ভান্ডার সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের

 লোহাগড়ায় লক্ষী ভান্ডার সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের।


মো: আজিজুর বিশ্বাস, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের লক্ষী ভান্ডার সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এর নামে লোহাগড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ ও বাদী সূত্রে জানা যায়, বিউটি রানী মন্ডল, (৪০) স্বামী গবিন্দ কুমার মন্ডল, সাং তেলিগাতী লোহাগড়া নড়াইল দীর্ঘদিন যাবৎ লুটিয়া গ্রামের লক্ষী ভান্ডার সমিতির একজন সদস্য ছিলেন।

এই সমিতির সভাপতি সম্রাট ঘোষ পিং মৃত: মনিতোষ ঘোষ সাং লুটিয়া থানা লোহাগড়া - জেলা নড়াইল। এই লক্ষী ভান্ডার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী, এবং ক্যাশিয়ার সাগির মল্লিক, সর্ব থানা লোহাগড়া, জেলা নড়াইল।

এই লক্ষী ভান্ডার সমিতির কার্যক্রম ছিল তৃণমূল মানুষদের গভীর ও নরমাল নলকূপ এবং ঘর স্বল্পমূল্যে মানুষের দেওয়া। 

 বিউটি রানী বলেন আমি সমিতির সভাপতি সম্রাট ঘোষের কথা মত লোহাগড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের থেকে গভীর নলকূপ, নরমাল নলকূপ, ও ঘর দেওয়ার জন্য  টাকা নিয়েছি, প্রতিটি গভীর নলকূপের জন্য ১৮ হাজার টাকা ও নরমাল নলকূপের জন্য ৪ হাজার ৫০০শত টাকা, ও ঘর বাবদ টাকা নিয়েছি,  তার মধ্যে রয়েছে নরমাল,৩৭ টা, গভীর ৮ টা, ও ঘর ৮ টা সর্বমোট টাকা নিয়েছি ৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা, বিউটি রানী আরো বলেন এই ৪ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা আমি সভাপতি সম্রাট ঘোষ কে দিয়েছি, তাহার সাইনকৃত খাতা আমার কাছে আছে।

 তিনি আরো বলেন গত ২ মাস ধরে সম্রাট কে জনগনের কল ও ঘর দেওয়ার কথা বললে সে আজ কাল বলে আমাকে ঘুরাতে থাকে। এরপর একদিন সম্রাট ঘোষ কে কল,ঘর,না দিলে টাকা ফেরত দিতে বলি। তখন সম্রাট আমাকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকি-ধামকি দেয়।

এবং বলেন তুমি আমার সমিতির কেউ না, তোমাকে ও ইমরান কে সমিতি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, ও আমার থেকে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন।

অদ্য ইং তারিখ : ০৫/০১/২০২১ মঙ্গলবার ওই সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক,সাং লুটিয়া বিকাল ০৪ টা ০৬ মিনিটের সময় তার মুঠোফোন থেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি ধামকি দেয়।

এ ব্যাপারে লক্ষী ভান্ডার সমিতির সভাপতি সম্রাট ঘোষ, এর সাথে মুঠোফোনে কথা হয় এই প্রতিবেদকের, তখন সম্রাট ঘোষ বলেন বিউটি রানী আমার সমিতির নাম ভাঙ্গিয়ে মানুষের থেকে টাকা নিচ্ছে সে আমার সমিতির কেউ না, তার থেকে আমি কোন টাকা নেই নাই। এবং মাজেদুলের সাথে রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সময় যোগাযোগ করলে তার ফোন নাম্বারটা বন্ধ পাওয়া যাই। 

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আশিকুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ কপি দেখে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। 


No comments

-->