শিরোনামঃ

হাতীবান্ধায় দেবর কতৃক ভাবির মাথায় চোট, আহত-৪

 হাতীবান্ধায় দেবর কতৃক ভাবির  মাথায় চোট, আহত-৪

নীলফামারী প্রতিনিধি: লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বড় খাতা ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ড বড় খাতা মৌজায় মেম্বার পাড়ায় পূর্বের শত্রুতাকে কেন্দ্র করে ছোটভাই  বাড়িতে  গিয়ে ভাইকে না পেয়ে ভাবির মাথায় ছুরির চোট এবং ভাতিজা ও ভাতিজি কে মারধর করে।আহতরা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন।

গত রবিবার (১৩- ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২.০০ ঘটিকার সময় মৃত আনসার আলীর পুত্র মোহাম্মদ আলী (৫৫) ও মোঃ মোস্তফার (৫০)  মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। জমির আইল নিয়ে প্রায় তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত । এই পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মোঃ মোস্তফা ও তার পরিবার পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক বড় ভাই মোহাম্মদ আলী'র বাড়িতে এসে শেখ মহিউদ্দিনের (৪০) হুকুমে তাকে লোহার রড ও বাসের লাঠি দ্বারা মারধর করে গলা টিপে ধরে । স্বামীকে বাঁচাতে এলে মোস্তফা ও তার স্ত্রী  মোসাম্মৎ রনি বেগম উভয়ে মোহাম্মাদ আলী'র স্ত্রীকে মোসাম্মৎ মনোয়ারা বেগম (৪৩) কে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে এবং  ছুরি দিয়ে মাথায় চোট মারে,জখম করে।এই দিকে  মোঃ মোস্তফার সন্তানেরা মোঃ রোকন (২৫), মুনফা আক্তার (২৩), রফিক ইসলাম (২১) , সেতু আক্তার (১৯) তারা ও উভয়ই মোহাম্মদ আলীর অনার্স পড়ুয়া মেয়ে মাহমুদা আক্তার (১৯) ও ছেলে আসাদুজ্জামানকে (১৩) শারীরিকভাবে নির্যাতন করে ও মারধর করে।

আহতরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে মেডিকেলে এসেছে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য। চিকিৎসা ব্যবস্থায় মোহাম্মদ আলী কিছুটা সুস্থ হলে এই অবস্থায় থানায় একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেন। এবং তদন্তের জন্য আবেদন করেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, হাতীবান্ধা থানার ইনচার্জ অফিসার  এরশাদুল হক বলেন,  চোট লাগা মনোয়ারা বেগমের  মাথা থেকে রক্ত ঝরতে দেখেন এবং তিনি ভিডিও ধারণ করেন ও চিকিৎসা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেন। তিনি আরো বলেন, অভিযোগপত্র টি তদন্তের জন্য এসআই ইব্রাহিম হক কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সঠিক তদন্ত করার জন্য।

এসআই ইব্রাহিম হক বলেন, আমার কাছে তদন্তের জন্য অভিযোগ পত্র এসেছে আমি বিষয়টি খুব ভালোভাবে খতিয়ে দেখব । আগামী ১৬- ডিসেম্বর বুধবার ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত  করব।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মোঃ মোস্তফা প্রভাব শালী মানুষের  ক্ষমতা দেখান এবং মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহারের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হুমকিও দেন। এমনকি ৩ মাস আগে ফসলি জমি ছাগল  খাওয়ায় ছাগলের মালিকের গলায় ছুরি ধরে। এবং জবাই করার হুমকি দেন।

উল্লেখ্য যে, এর আগেও কয়েকবার তাদের পরিবারকে আক্রমণ করলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। কিন্তু তাতেও কোন ভালো ফল আসলো না। এমন অবস্থায় মোঃ মোস্তফার বিচার করা লোকের অভাব রয়েছে। এমনকি মোঃ মোস্তফার ক্ষমতার ভয়ে সাক্ষীরাও সাক্ষী দিতে পিছ পা হচ্ছেন।

No comments

-->