নতুন প্রকাশিতঃ

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসির মানবতা, ফেলে যাওয়া সেই নারীকে ঠাঁই হলো চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোমে- মোঃ আনোয়ার হোসেন ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ আলেয়া বেগম বয়স ৬৫ থেকে ৭০ বছরের মত। কয়েক সন্তানের জননী। তবে ঠায় হয়নি তাদের ঘরে। গত ৮ ডিসেম্বর রাতে ইজিবাইকে করে ঝিনাইদহ শহরের নতুন কোর্টপাড়ায় কে বা কারা তাকে ফেলে রেখে যায়। তিনি নিজের নাম আলেয়া ছাড়া আর কিছুই বলতে পারেন না। স্থানীয় ২ স্বেচ্ছাসেবীর সহযোগিতায় আলেয়া বেগমের খবর আসে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমানের কাছে। বৃদ্ধার দায়িত্ব নেন তিনি। ওসি মিজানুর রহমান বৃদ্ধা আলেয়া বেগমের চিকিৎসা করান সদর হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে নুতুন কোর্ট পাড়ার আব্দুল মজিদের বাড়িতে সাময়িক দেখভালের জন্য দায়িত্ব দেন। বৃদ্ধা আলেয়া বেগম বিছানায় প্রসব-পায়খানা করে। তা সত্বেও তারা ১৪ দিন বৃদ্ধা আলেয়ার দেখভাল করেন। এর মধ্যে ওসি মিজানুর রহমান আলেয়া বেগমের জন্য উপযুক্ত জায়গা খুজতে থাকেন। কথা হয় ঢাকার চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোম’র কর্তৃপক্ষের সাথে। ছিট খালী না থাকা সত্বেও ওসির অনুরোধে তারা বৃদ্ধা আলেয়াকে নিয়ে নেন। কিন্তু তাকে ঢাকায় পাঠাতে প্রয়োজন গাড়ি ভাড়া। ওসি নিজে ও ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তায় অবশেষে আলেয়া বেগমের যায়গা হলো সেখানে। মঙ্গলবার দুপুরে চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোম’র প্রতিনিধিদের কাছে বৃদ্ধা আলেয়া বেগমকে হস্তন্তর করা হয়। বাড়ি থেকে ফেলে যাওয়া আলেয়া বেগম ১৪ দিনের আতিথিয়েতায় যাওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্থানীয় লোকজনও বিদায়ের সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ওসি মিজানুর রহমান জানান, আমাদের অনেকেরই বাবা-মা বেচে নেই। বাবা-মা কত কষ্ট করে সন্তান লালন-পালন করেন। মা সন্তান জন্মদানের সময় কত কষ্ট করেন। তিনি জানান, স্থানীয় দুই স্বেচ্ছাসেবী তরুণ-তরুণীর মাধ্যমে আমি জানতে পারি গত ৮ ডিসেম্বর রাতে নতুন কোর্ট পাড়ায় ইজিবাইকে করে বৃদ্ধা আলেয়া বেগমকে কে-বা কারা ফেলে রেখে যায়। শেষ পর্যন্ত আমি তাকে একটা গতি করতে পেরেছি। এর আগের ওসি মিজানুর রহমান শৈলকুপার এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির দায়িত্ব নেন। তাকেও পাঠানো হয়েছে এই চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোমে।

 ঝিনাইদহ সদর থানার ওসির মানবতা, ফেলে যাওয়া সেই নারীকে ঠাঁই হলো,,চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোমে-

মোঃ আনোয়ার হোসেন,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ আলেয়া বেগম বয়স ৬৫ থেকে ৭০ বছরের মত। কয়েক সন্তানের জননী। তবে ঠায় হয়নি তাদের ঘরে। গত ৮ ডিসেম্বর রাতে ইজিবাইকে করে ঝিনাইদহ শহরের নতুন কোর্টপাড়ায় কে বা কারা তাকে ফেলে রেখে যায়। তিনি নিজের নাম আলেয়া ছাড়া আর কিছুই বলতে পারেন না। স্থানীয় ২ স্বেচ্ছাসেবীর সহযোগিতায় আলেয়া বেগমের খবর আসে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমানের কাছে। বৃদ্ধার দায়িত্ব নেন তিনি। ওসি মিজানুর রহমান বৃদ্ধা আলেয়া বেগমের চিকিৎসা করান সদর হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে নুতুন কোর্ট পাড়ার আব্দুল মজিদের বাড়িতে সাময়িক দেখভালের জন্য দায়িত্ব দেন। বৃদ্ধা আলেয়া বেগম বিছানায় প্রসব-পায়খানা করে। তা সত্বেও তারা ১৪ দিন বৃদ্ধা আলেয়ার দেখভাল করেন। এর মধ্যে ওসি মিজানুর রহমান আলেয়া বেগমের জন্য উপযুক্ত জায়গা খুজতে থাকেন। কথা হয় ঢাকার চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোম’র কর্তৃপক্ষের সাথে। ছিট খালী না থাকা সত্বেও ওসির অনুরোধে তারা বৃদ্ধা আলেয়াকে নিয়ে নেন। কিন্তু তাকে ঢাকায় পাঠাতে প্রয়োজন গাড়ি ভাড়া। ওসি নিজে ও ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তায় অবশেষে আলেয়া বেগমের যায়গা হলো সেখানে। মঙ্গলবার দুপুরে চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোম’র প্রতিনিধিদের কাছে বৃদ্ধা আলেয়া বেগমকে হস্তন্তর করা হয়। বাড়ি থেকে ফেলে যাওয়া আলেয়া বেগম ১৪ দিনের আতিথিয়েতায় যাওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্থানীয় লোকজনও বিদায়ের সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।  ওসি মিজানুর রহমান জানান, আমাদের অনেকেরই বাবা-মা বেচে নেই। বাবা-মা কত কষ্ট করে সন্তান লালন-পালন করেন। মা সন্তান জন্মদানের সময় কত কষ্ট করেন। তিনি জানান, স্থানীয় দুই স্বেচ্ছাসেবী তরুণ-তরুণীর মাধ্যমে আমি জানতে পারি গত ৮ ডিসেম্বর রাতে নতুন কোর্ট পাড়ায় ইজিবাইকে করে বৃদ্ধা আলেয়া বেগমকে কে-বা কারা ফেলে রেখে যায়। শেষ পর্যন্ত আমি তাকে একটা গতি করতে পেরেছি। এর আগের ওসি মিজানুর রহমান শৈলকুপার এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির দায়িত্ব নেন। তাকেও পাঠানো হয়েছে এই চাইল্ড এন্ড ওল্ডেজ হোমে।

No comments

-->