নতুন প্রকাশিতঃ

বগুড়ায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি ৩ জনের মৃত্যু, উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১জনের

 বগুড়ায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি ৩ জনের মৃত্যু, উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ১জনের

উৎপল কুমার, বগুড়াঃ করোনা (কোভিড১৯) শীতের শুরুতে যেন তার ভয়ংকর রুপ নিয়ে ফিরেছে, তার এই মহামারী রুপের বহিঃপ্রকাশে প্রতিদিন কেড়ে নিচ্ছে তরতাজা অনেক প্রান, শীতে যে করোনা প্রভাব ফেলবে সেটা আমাদের অজানা নয়। পূর্ব সতর্কবার্তা হিসাবে বারবার সতর্ক করে আসছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শুধু স্বাস্থ্য বিভাগই নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বারবার সতর্ক করে যাচ্ছেন, সচেতন মূলক কাজ করে চলেছেন বাংলাদেশের অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, এ নিয়ে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মীরাও কিন্তু আমরা কি সচেতন হতে পেরেছি ! স্বাস্থবিধি কি মেনে চলছে মানুষ, সাধারন- গ্রামগঞ্জের মানুষ কি সর্তকতা অবলম্বন করে চলছে?

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ(শজিমেক) হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩ জন এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে ১ জন সহ মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ২১১ জন মারা গেলেন। বগুড়া জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সুত্রে জানা গেছে ২৯ নভেম্বর নতুন করে আরও ১৫ জন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। জেলার ২ টি পিসিআর ল্যাবে ১০৩ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় তাতে আক্রান্তের হার ১৪ দশমিক ৫৬।

শজিমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র জাহাঙ্গীর আলম জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার কালপানি গ্রামের নজরুল ইসলাম (৬৭) বগুড়া শেরপুর জেলার মির্জাপুর গ্রামের আলাউদ্দিন সরকার (৭৮) ও একই উপজেলার দেবুগ্রামের মালেকা বেগম (৭৫) মারা গেছেন। ২৯ নভেম্বর বিকেল থেকে রাতের মধ্য তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়া সিরাজগঞ্জের মুজিব সরকের বাসিন্দা প্রকাশ (৭০) রবিবার রাত ১১ টা ২০ মিনিটে করোনা উপসর্গ নিয়ে একই হাসপাতালে মারা গেছেন। 

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন ৩০ নভেম্বর সকালে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিফিং করতে গিয়ে জানান, ২৯ নভেম্বর জেলায় মোট ১০৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়, এর মধ্য শজিমেক পিসিআর ল্যাবে ৯৪ টির নমুনায় ১৩ জনের পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। 

বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৯ টি নমুনার মধ্য করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ জন। করোনায় আক্রান্ত ১৫ জনের মধ্য ১৪ জন সদর উপজেলার। বাকী ১ জনের বাড়ি ধুনট উপজেলায়। 

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখপাত্র ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, নতুন ১৫ জন নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত  মোট ৮ হাজার ৮১৬ জন কনোনায় আক্রান্ত হলেন। এর মধ্য ২৯ নভেম্বর আরও ২২ জন সুস্থ হওয়ায় জেলায় করোনা জয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৭৩ জনে।  বর্তমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল সহ নিজ নিজ বাড়িতে ৫৩২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

No comments

-->