নতুন প্রকাশিতঃ

জলঢাকার গোলমুন্ডায় ধুমনদীর উপর ব্রীজ না থাকায় বাশেঁর সাঁকোই একমাত্র ভরসা

 জলঢাকার গোলমুন্ডায় ধুমনদীর উপর ব্রীজ না থাকায় বাশেঁর সাঁকোই একমাত্র ভরসা।



নীলফামারী প্রতিনিধি


নীলফামারীর জলঢাকায় ব্রীজ না থাকায বাঁশের সাকোঁ দিয়ে দুই পারের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শত বছর ধরে। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া হতে ৫ নং ওয়ার্ডের শ্যামপুরের সাথে গোলমুন্ডার যোগাযোগের একমাত্র সড়কে ধুম নদীর উপর নির্মিত বাঁশের সাকোঁরব্রীজটি। এ-ই বাঁশের সাকোঁটি প্রতি বছর বন্যায় ভেঙে গেলে ওই দুই পারের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ নেমে আসে। তখন ৬ কিলোমিটার সড়ক ঘুরে গোলমুন্ডা যেতে হয়।ব্রীজটি ভেঙে পড়ার পর এলাকাবাসীর উদ্দ্যোগে বাঁশের সাকোঁর ব্রীজ নির্মাণ করে শত বছর ধরে কষ্ট করে চলাচল করে আসছে ।গেল বন্যায় সেই বাঁশের ব্রীজটি পানির স্রোতের সাথে ভেঙে গিয়ে ভেসে যাওয়ায় ও-ই এলাকার মানুষের চলাচলে আবারো দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে । বর্তমানে চলাচলের জন্য এলাকাবাসীসেখানে একটি বাশের সাঁকোর ব্রীজ নির্মান করে চলাচল করছে । এ-ই বাঁশের ব্রীজ নির্মান করতে খরচ হবে ৪০ হাজার টাকা ।

আমিনুল(৬০) জনান আমি ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি এলাকা বাসীর সাহায্য সহযোগিতায় তৈরী করা এই বাঁশের সাকোঁ ব্রীজ গোলমুন্ডার চৌধুরী পাড়ার সাথে শ্যাপুরের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা। শত

বছর ধরে পাকা ব্রীজ নির্মান হয় না। তবে এখানে একটি পাকা ব্রীজ হলে জনগনের দুর্ভোগ লাগভ হবে।মুহিদুল ইসলাম (৫৫) বলেন বাপ দাদার আমল থেকে চলাচল ও পারাপার হওয়া এ নদীর উপর বাঁশের সাকোঁ আরও চাই না। চাই স্থায়ী ব্রীজ। এখানে পাকা ব্রীজ না থাকায় সরকারের কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। ভোট এলে সবাই আসে ভোট চায় প্রতিশ্রুতি দেয় ভোট গেলে নির্বাচিত হলে সবকিছু ভুলে যান। কিন্তু ব্রীজ আর হয় না।

রফিক (২৫) বলেন এখানে পাকা ব্রীজ না থাকায় আমাদের অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয়, তাতে দুঃখ নেই কিন্তু দুঃখ তখন হয় যখন কোন মুমূর্ষ রোগীর চিকিৎসার জন্য আনা এম্বুল্যান্স বা গাড়ি ব্রীজের কারনে রোগীর বাড়ি পর্যন্ত যেতে পারে না। অনেকদিন ধরে আমরা এ নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের দাবী জানালেও অদ্যবদী ব্রীজ নির্মান হয়নি।এ ব্রীজ নির্মানের দাবী বর্তমানে এলাকাবাসীর প্রানের দাবীতে পরিনত হয়েছে।এ বিষয়ে শ্যামপুর এলাকার বাসিন্দা উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সদস্য সচিব ও জেলা নেতা সরিফুল ইসলাম সোহাগ জানান এ ধুম নদীর উপর একটি পাকা ব্রীজ নির্মাণ করার জন্য আমাদের এলাকার সাংসদ মেজর রানা মোঃ সোহেল ( অবঃ)এ-র সাথে কথা হয়েছে। তিনি একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন। প্রস্তাবিত

১ শত ২০ ফিট ব্রীজ টি সংশোধন করে ১ শত ৮ ফিট ও ৩ ফিট উচু করার প্রস্তাবনা স্থানীয় প্রকৌশল অফিসে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যার বাজেট ধরা হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। এ ব্রীজটি নির্মান হলে এলাকার জনগনের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন হবে।১নংগোলমুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা তোজাম্মেল হোসাইন জানান স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে কথা হয়েছে তিনি এ নদীর উপর একটি পাকা ব্রীজ নির্মানের ব্যাবস্থা করবেন।এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবদুর রউফ বলেন আমরা গোলমুন্ডা ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া ধুপ নদীর ঘাটের উপর একটি ব্রীজ নির্মানের প্রাথমিক জরিপ করে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশ সহ কাগজ পত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছি।

No comments

-->