নতুন প্রকাশিতঃ

হাতীবান্ধায় সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ

 হাতীবান্ধায় সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ



লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পুর্ব সিন্দুর্না ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্যের উপস্থিতিতে সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে তার ভাই আব্দুর রাজ্জাক দুলালের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সিন্দুর্না ইউনিয়নের হাতীবান্ধাহাট-গড্ডিমারী রোডের চাম্পাফুল এলাকায় শহিদুল মেম্বারের বাড়ির সামনে একটি ইউক্লিবটার গাছ কাটা হয়।

আব্দুর রাজ্জাক দুলাল (৫০) ওই এলাকার সোহরাপ প্রামানিকের ছেলে।


প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টার পর তিনজনকে সাথে নিয়ে সরকারি  রাস্তার গাছ কাটেন আব্দুর রাজ্জাক দুলাল। এসময় সিন্দুর্না ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল ইসলাম সেখানে দাড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে এলাকাবাসী বাধা দিলেও তারা বিষয়টি আমলে নেননি। গাছটির বাজার মুল্য ১০-১৫ হাজার টাকা হবে বলে জানা গেছে।


এবিষয়ে সিন্দুর্না ইউনিয়ন আর,ডি,আর,এস ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি লুতু মিয়া জানান, বহু বছর আগে ফেডারেশন থেকে উক্ত রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো হয়েছিলো। আজ ভোরে সরকারি কোন অনুমতি ছাড়া একটি মোটা ইউক্লিবটার গাছ কাটেন শহিদুল মেম্বারের ভাই আব্দুর রাজ্জাক দুলাল। ঘটনাস্থলে শহিদুল মেম্বার উপস্থিত থেকে গাছ কাটতে সাহস যোগান। এছাড়াও শহিদুল মেম্বার এর আগে ঐ রোডের অনেক গাছ অবৈধভাবে গোপনে কেটে বিক্রি করেছেন বলে জানা লুতু মিয়া।


সরকারি গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম ও তার বড়ভাই অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক দুলাল বলেন, গাছটি আমাদের জমির সীমানায় ছিলো তাই কাটা হয়েছে।    

সিন্দূর্ণা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরল আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আব্দুর রাজ্জাক মালিকানা দাবী করলেও গাছটি ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয়েছে। এর জমির সীমানা মেপে সরকারী হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। মালিকানা হলে তাকে দিয়ে দেয়া হবে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ এরশাদুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টা জানা নাই তবে বিষয়টা দেখতেছি।

ঘটনাস্থল থেকে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামিউল আমিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি দেখতেছি। পরে তিনি ঘটনাস্থলে সিন্দুর্না ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশকে গাছটি উদ্ধার করতে পাঠান বলে জানা গেছে।

No comments

-->