নতুন প্রকাশিতঃ

ঈশ্বরদীতে পরকীয়ার জেরে যুবকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগঃ

 ঈশ্বরদীতে পরকীয়ার জেরে যুবকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগঃ


মুনছুর আহমেদ সুমন, পাবনা জেলা প্রতিনিধি:


পরকীয়ার জের ধরে ইছাহক আলী ইছা (২৭) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।


পাবনার ঈশ্বরদীতে কথিত পীরের শ্যালিকার সঙ্গে পরকীয়ার জের ধরে ইছাহক আলী ইছা (২৫) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।


নিহত ইছা উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের সিবেল হাট এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে। তিনি ওই এলাকার লেডিস টেইলার্স এর পরিচালক। এ ঘটনার পর থেকে কথিত পীর শায়খ হাফিজুল ইসলাম, তার শ্যালক রবিউলসহ দরবার শরীফের লোকজন পালিয়ে গেছে।

 

স্থানীয়রা জানায়, নিহত ইছাহক আলী ইছা ঈশ্বরদীর সাঁড়াঘাট এলাকার নুরুল্লাপুর দরবার শরীফের খাদেম ও পরিচালক শায়খ হাফিজুল ইসলামের মুরিদ ছিলেন। এ কারণে প্রায়ই তিনি ওই দরবার শরীফে যাতায়াত করতেন। এক পর্যায়ে পীরের শ্যালিকা বিধবা খালেদার (২৮)  সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল ইছার। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই নারীর সাথে দেখা করতে যেয়ে একসাথে ঘরে কিছু সময় কাটায়। এক পর্যায়ে ইছার সাথে খালেদার কোন বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। কথা কাটাকাটির আউয়াজ বাইরে গেলে বাড়ির স্বজনরা ইছার উপস্থিতি টের পেয়ে যায়। এই পর্যায়ে খালেদার ভাই রবিউল (২৮) লাঠি নিয়ে ঘরের বাইরে ওঁত পেতে থাকে। ইছা ঘর হতে বের হওয়ার সাথে সাথে তাকে লাঠি দিয়ে বেধরক মেরে গুরুতর আহত করে।  এতে ইছার নাক ও কান দিয়ে রক্ত বের হলে প্রথমে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ইছার অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কথিত ওই পীরের দরবার শরীফে চলা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জের ধরে ইছাকে হত্যা করা হয়েছে।


ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ নাসীর উদ্দীন জানান, ঘটনা সত্য। তবে এখনও এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

No comments

-->