নতুন প্রকাশিতঃ

নব্য আওয়ামীলীগে যোগদান জামাত নেতা আব্দুল লতিফ খানের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা

 নব্য আওয়ামীলীগে যোগদান  জামাত নেতা আব্দুল লতিফ খানের বিরুদ্ধে  ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ  নেতা কর্মীরা।

বিশেষ প্রতিনিধি:


নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বিএনপি ও  জামাত থেকে আওয়ামীলীগে যোগ দেয়  হাইব্রীড নেতা আব্দুল লতিফ খান। তিনি ২০১৬ সালে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সভা-সমাবেশ ও দলীয় অফিসে তার উপস্থিতি তৃনমূলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের কাছে ক্রমশ: অগ্রহনযোগ্য হয়ে উঠেছে।

এছাড়া দলের ইউনিয়ন পর্যায়ে নেতা কর্মীদের অন্ধকারে রেখে নেতার ব্যক্তি স্বার্থে দলে যোগ দিয়ে বিশেষ নেতার পকেট ভারী করা এসব হাউব্রীড নেতা। , যাদের বিরুদ্ধে বিরোধী দলে থাকাকালীন সময়ে আওয়ামীলীগ এর নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।  আওয়ামীলীগে যোগ দেয়া সুবিধাবাদী হাইব্রীড নেতার ব্যবস্থা গ্রহন এখন সময়ের দাবী হয়ে উঠেছে।

অত্র ইউনিয়ন  আওয়ামীলীগের কিছু সংখ্যক ত্যাগী নেতা কর্মী( নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) অভিযোগ করে বলেন - আমরা যারা ত্যাগী আছি আমরা এখন জামাত থেকে আসা নব্য আওয়ামীলীগ এ যোগদান কৃত  আব্দুল লতিফ খানের কাছে কিছুনা।আমরা অসহায় নিরুপায় হয়ে গেছি।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোন পর্যায়েই আওয়ামী লীগে যোগদান অবৈধ বিবেচিত হবে।

আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী এই হাইব্রীড নেতা ত্যাগী নেতা-কর্মীদের কোনঠাসা করে আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছেন,এতে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এরকম পরিস্থিতিতে কোনঠাসা হয়ে পড়ছে আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের ত্যাগী এবং পরীক্ষীতরা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি-জামাত থেকে যারা ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে তাদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই তালিকায়। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

No comments

-->