নতুন প্রকাশিতঃ

হাঁস পালন করে বদলে গেছে হামিদের জীবন

 হাঁস পালন করে বদলে গেছে হামিদের জীবন।


মোঃশাদাত হোসেন স্টাফ রিপোর্টার। 

গ্রামের দরিদ্র ভ্যান চালক হামিদ  হাসের খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছে। ৪বছর পূর্বে ধার দেনা করে প্রথমে ২০-২৫টি হাঁসের বাচ্চা কিনে পালন শুরু করেন। এরপর হামিদকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এভাবেই শুরু হয় হামিদের এগিয়ে চলা।

বর্তমানে তার খামারে ৪০০-৫০০ এর বেশি হাঁস রয়েছে। এর মধ্যে গড়ে ডিম দেয় ২০০ থেকে ২৫০ টির মতো। প্রতিটি ডিম বাজারে পাইকারি হিসেবে ১০টাকা দরে প্রতিদিন মোট ডিম বিক্রি করেন ২হাজার  থেকে  ২৫০০ টাকা। এছাড়া ৩-৪ মাস পর পর এক একটি পরিপক্ক হাঁস বাজারে বিক্রি করেন গড়ে ৪০০টাকায়।

হামিদ জনান, তিনি হ্যাচারি থেকে হাঁসের বাচ্চা কিনে এনে খামারে পালন করেন। প্রতিটি হাঁস পরিপক্ক হতে খাদ্য ওষুধ বাবদ খরচ হয় ৯০-১০০ টাকা।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রায় ৪ বছর ধরে হাঁস পালন করে আসছি ,আর হাঁসের খামারের আয় থেকে বর্তমানে গরু-ছাগল ও জমি কিনেছি এবং পরিবার- পরিজনকে নিয়ে সুখে-শান্তিতে বর্তমানে দিনযাপন করে আসছি। 

অথচ ৩-৪ বছর পূর্বে অনাহারে-অর্ধাহারে পরিবার-পরিজনকে নিয়ে কোনো রকমে দুবেলা দু-মুঠো ভাত খেতে পেরেছিলাম না,ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ বহন করতে পারতাম না।

এখন আমি হাস পালন করে অনেক সাবলম্বী। 

তাই আমাদের বাংলাদেশে যাঁরা শিক্ষিত অল্প শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে বেকার হয়ে ঘরে বসে আছেন তাদের উদ্দেশ্যে একটা কথা বলবো, ঘরে বেকার বসে না থেকে ছোট ছোট খামার গড়ে তুলুন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত ও সাবলম্বী করে তুলুন।

No comments

-->