নতুন প্রকাশিতঃ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

 সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা


 

  মোঃ রাসেল ইসলাম, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ চাকুরি দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় "কালীগঞ্জে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে তপন সাধুর প্রতারনা শিরোনামে" সংবাদ প্রকাশ করায় সকালের সময় পত্রিকার লালমনিরহাট প্রতিনিধি এম সহিদুল ইসলাম এবং জিন্নাহ রহমান নামে আরও এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তপন কুমার রায় সাধু নামের এক ব্যক্তি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৫, লালমনিরহাটে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। চাকুরী প্রার্থী সেলিমের পরিবার জানায় , লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের উঃ বালাপাড়া গ্রামের শাহজাহান আলীর পুত্র সেলিম হোসেন (২৯)কে সরকারি চাকুরি দেওয়ার কথা বলে তপন সাধু ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা নেয়। দেড় বছর আগে সেলিম তার বাস্তুভিটা, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া একটি ঘর ও তার সবকিছু বিক্রি করে এ টাকা দেয়। দীর্ঘদিনেও চাকরির কোন সুরাহা না হওয়ায় তার দেওয়া টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিতে থাকে। টাকা উদ্ধারের জন্য স্থানীয় ভাবে সালিশও হয়েছে কয়েক দফা। টাকা দেওয়ার তারিখ দিয়েও ব্যর্থ হয়ে সময় বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর সেলিমের বাড়িতে যায় তপন সাধু। পরে সেলিম তপন সাধুকে আটক দিয়ে সেলিম স্থানীয় লোকজন,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইউপি সদস্যদর ডেকে আনেন। তপন সাধুকে চাকুরির জন্য ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দেওয়ার বিষয়টি অবগত করান। তপন সাধু টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে দুই কিস্তিতে পরিশোধের একটি মুচলেখা দিয়ে মুক্ত হন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ করায় তপন সাধু দুই সাংবাদিকের নামে কোটি টাকার মানহানিকর একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে সালিশে উপস্থিত চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আব্দুল বারেক ও একই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের উঃ বালাপাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য দীনবন্ধু রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তারা বলেন, ঘটনাটি সমাধানের লক্ষে আমরা সেলিমের বাড়ীতে সালিশে বসেছিলাম। সেখানে তপন সাধু ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা চাকরির কথা বলে নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন । সালিশে তপন সাধু দুই কিস্তিতে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করে একটি মুচলেখায় স্বাক্ষর করেন। এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং ২৬ অক্টোবর অবশিষ্ট ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে স্টাম্পে লিখিত অঙ্গীকার করলেও তিনি (তপন সাধু)। অঙ্গীকারে ব্যর্থ হন। পরে তপন সাধুর মা ১ অক্টোবর রাতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জমা করেন ইউপি সদস্যর হাতে। এ ব্যাপারে তপন কুমার রায় সাধুর সাথে মোবাইলে কথা হলে,তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ইউপি সদস্য দ্বীনবন্ধু রায়ের নিকট আমার ব্যবহারকৃত একটি মোটর সাইকেল জমা রয়েছে। ‘আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। প্রতিপক্ষের দ্ধারা প্রভবিত হয়ে সাংবাদিক আমার নামে সংবাদ প্রকাশ করেছে। তাই আমি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছি।

No comments

-->