নতুন প্রকাশিতঃ

নীলফামারীতে জ্যাকপট ক্যাসু নাটস ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেডের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র ছাড়াই উদ্বোধন।।রাজস্ব থেকে বঞ্চিত সরকার

 নীলফামারীতে জ্যাকপট ক্যাসু নাটস ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেডের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র ছাড়াই উদ্বোধন।।রাজস্ব থেকে বঞ্চিত সরকার


মো. শাইখুল ইসলাম সাগর, স্টাফ রিপোর্টার ঃ

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নে চিনিরখুটি এলাকায় জ্যাকপট ক্যাসু নাটস ইন্ডাট্রিস লিমিটেড নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই উদ্বোধন করেছে। খোজ নিয়ে জানা যায়, কোম্পানীটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে, সরকারকে বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়ে কোম্পানীটি ব্যবসা করে যাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই ,বিএসটিআই,খাদ্য নিরাপত্তা ল্যাব, অগ্নি নির্বাপক লাইসেন্স ও সরঞ্জাম ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে কোম্পানীটি। এতে করে কর্তৃপক্ষ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হলেও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। ২০০৩ সালের অগ্নি নির্বাপক আইনে বলা আছে, কোন প্রতিষ্ঠান অগ্নি নির্বাপক লাইসেন্স ব্যতিত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করলে ৬ মাসের জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবে।


সচেতন মহল মনে করেন, এই প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রিয় নিয়ম-নীতির কোন রকম তোয়াক্কা না করেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, গায়ের জোরে প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হয়েছে। সেইসাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসীর দাবী তদন্ত করে কোম্পানীটির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শ্রমীক অভিযোগ করে বলেন, আইএলও কোড অনুযায়ী মজুরী পাচ্ছি না।


অগ্নি নির্বাপক লাইসেন্স ,পরিবেশের ছারপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীর এমডি আরিফুজ্জামান বলেন, কোম্পানীর প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র পরবর্তীতে করে নেব।


নীলফামারীতে দ্বায়িত্বে থাকা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ইন্সপেক্টর ফসির উদ্দীন বলেন, জ্যাকপট ক্যাসু নাটস ইন্ডাট্রিস কোম্পানীটির কোন ফায়ার লাইসেন্স নেই।নিয়ম হচ্ছে প্রোডাকশন করার আগেই অগ্নি নির্বাপক লাইসেন্স করতে হবে।তা না হলে কোম্পানীর মালামাল বাজেআপ্ত বলে গণ্য হবে।


জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের নীলফামারীর দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারী পরিচালক মেজবাউল আলম বলেন, জ্যাকপট ক্যাসু নাটস ইন্ডাট্রিস লিমিটেড কোম্পানীর নামে এখন পর্যন্ত কোন পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করেন নাই। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

No comments

-->