নতুন প্রকাশিতঃ

চলনবিলের জেলেদের মৎস্য শিকারে ব্যাস্ত সময়ঃ

চলনবিলের জেলেদের মৎস্য শিকারে ব্যাস্ত সময়ঃ


মুনছুর আহমেদ সুমন, আটঘরিয়া, পাবনা প্রতিনিধি:

সুর্য তখন হেলে পড়েছে অনেকটা, গোধূলি নামতে খুব বেশি দেরি নেই, আকাশে মেঘের সাথে সূর্যের লুকোচুরি চলছে অবিরাম, কিন্তু, সেদিকে খেয়াল করার ফুরসত নেই শরিফুল দের, বিকেল হতে হতেই মাছ নিয়ে পৌছাতে হবে হামকুমিয়া বাজারে৷ সন্ধ্যার পূর্বে মাছ বিক্রি শেষ করে ফিরতে হবে হান্ডিয়াল গ্রামের শরিফুল এর। বিলে দেখা মিললো জনা দশেক জেলের, পেশায় দুজন জেলে হলেও বাকীরা সকলে মৌসুমি জেলে, বর্তমানে বিলে পানি কমতে শুরু করেছে সেই সঙ্গে ব্যাস্ততা বাড়ছে জেলেদের, এই পেশায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন অন্যান্য পেশার অনেকেই, সেরকম একজন হাফিজুল, পেশায় রাজমিস্ত্রী হওয়া সত্বেও বর্তমানে মৎস্য শিকারে রোজগার বেশি হওয়ায় ঝুঁকেছেন মৎস্য শিকারে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় হাফিজুল এর মতো অনেকেই কয়েক মাসের জন্য এ পেশায় জড়িয়েছেন নিজেদের। ‌ অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মাছ কিছুটা কম ধরা পড়লেও বাজারে বিলের মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকায় রোজগার বেশ ভালোই বলে জানিয়েছেন জেলেরা। চাষ করা মাছের তুলনায় বাজারে বিলের মাছের চাহিদা অনেক বেশি৷ উল্লেখ্য, চলনবিল বৃহত্তর পাবনা-সিরাজগঞ্জ ও নাটোর জেলায় বিস্তৃত। চলনবিলের মাছের বিশেষ চাহিদা আছে রাজধানীর বাজারে, এছাড়া আশপাশের জেলাগুলোতেও চলন বিলের মাছের কদর বেশ। তবে জেলেদের দাবী, যদি সরকারীভাবে অভয়াশ্রম হিসেবে চিহ্নিত করে পর্যাপ্ত পোনা অবমুক্ত করা হয় তবে মৌসুমে জেলেরা আরও বেশি লাভবান হবে।

No comments

-->