নতুন প্রকাশিতঃ

শুধুই একটি হুইল চেয়ার দিয়ে সহায়তা করুন।

 শুধুই একটি হুইল চেয়ার দিয়ে সহায়তা করুন।


জলঢাকা(নীলফামারী)প্রতিনিধি

ছয় বছরের অবুঝ শিশু কন্যা আয়শা আকতার।  যে বয়সে তার মাঠে-ঘুরে বেড়ানোর কথা, সমবয়সীদের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার। কিন্তু না বহুমাত্রিক ছোট শিশু কন্যা আয়শার সবকিছু  কেড়ে নিয়েছে। খেলাধুলা, স্কুলে যাওয়া দূরের কথা, বাবা-মা, ভাই,বোন আর আত্মীয়স্বজনের কোলে চড়ে চলাফেরা করতে হয় শিশুটিকে। জন্মের পর থেকেই চলাফেরা করতে  অক্ষম আশয়া।তার বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ভাবনচুর তিস্তা নদীর তীরবর্তী প্রত্যান্ত চর এলাকার দিনমজুর আতোয়ার হোসেন ও গৃহিণী মাহামুদা বেগমের দুই মেয়ের মধ্যে আয়শায় বড়।দিনমজুর বাবা আতোয়ার হোসেসের ক্ষুদ্র উপার্জনে সংসার চলে টেনেটুনে। ফলে শিশুকন্যাকে একটি হুইল চেয়ার কিনে দেয়ার মতো সামর্থ্য তার নেই। বিভিন্নজনের কাছে একটি হুইল চেয়ার সহযোগিতা চেয়েও মেলেনি।

শারীরিক অক্ষমতা ও বাকপ্রতিবন্ধি শিশুটিকে ঠেলে দিয়েছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। প্রতিবন্ধী শিশু কন্যা আয়শার জন্য একটি হুইল চেয়ার সহায়তা চেয়ে তার মা মাহমুদা বেগম জানান, চলাফেরাও কথা বলতে পারে না, পাদিয়ে মাঠিতে বসে অনেক কষ্ট করে হোছলে এদিকে সেদিকে যান।তার এভাবে চলাচল মা হয়ে দেখতে খুব কষ্ট হয়।তাকে নিয়ে আমরা অনেক কষ্টে আছে। আয়শা আকতার ছাড়াও তাদের আরো একটি শিশু কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদেরকে সামলে সংসারের কাজ কর্ম করা তার জন্য দুরুহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আয়শা আকতারের জন্য একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা হলে, সে হুইল চেয়ারে বসে চলাফেরা করার সুযোগ পেত।তার চলাচলের কষ্টটাও একটু দুর হত, তারাও কিছুটা স্বস্তি পেতেন।

আয়শা আকতারকে কেউ একটি হুইল চেয়ার দিয়ে সহযোগীতা করতে চাইলে এবং তার বিষয় জানতে চাইলে 01711588304  সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

No comments

-->