নতুন প্রকাশিতঃ

নীলফামারীতে বীরমুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলীর ৪৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন।।

 নীলফামারীতে  বীরমুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলীর ৪৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন।।


দেলোয়ার হোসাইন,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নীলফামারী  আওয়ামী লীগ অফিসে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলীর ৪৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। 

এই দিনে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট আততায়ীদের হাতে খুন হয় ইয়াকুব আলী।তিনি ১৯৭৩-১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ যুবলীগের নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি,১৯৭১- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ শ্রমিক লীগের জেলা শাখার সভাপতি,১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,১৯৭০সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ,১৯৬৯-১৯৭০ সালে সরকারি কলেজের ভিপি ছিলেন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুশফিকুল রহমান রিন্টু,জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল,জেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ,নীলফামারী জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মো:মফিজার রহমান,মৎস জীবি লীগের সভাপতি রোকনুজ্জামান লেমন,জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সরকার সহ জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি তার বাবার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে বলেন,  ১৯৭৫ সালের এই দিনে আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলী কে  নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। আমার মায়ের কাছে জেনেছি, ১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসে আমার বাবা বঙ্গবন্ধুর ডাকে ঢাকায় একটি দলীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন। অতপর ১৪ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করেন। এরপর তিনি নীলফামারী ফিরে আসার কয়েকদিন পর আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

তার এই হত্যাকাণ্ডের ‌৪৫ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো বিচার পাইনি। 

একজন মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে বাবার হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রত্যাশী।জেলা উপজেলার নেতা কর্মীরা তাদের বক্তৃতায় বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলীর হত্যার বিচার চান

No comments

-->