নতুন প্রকাশিতঃ

জেলার মান পরিবর্তন করাই আমার লক্ষ্য -পুলিশ সুপার।।

 জেলার মান পরিবর্তন করাই আমার লক্ষ্য -পুলিশ সুপার।।



বিশেষ প্রতিনিধি:

যোগদানের সাড়ে সাত মাসেই নীলফামারী জেলায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজেকে নিরাপদ রেখে রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন নীলফামারী জেলা পুলিশ প্রশাসন। 

কর্মহীন, দিনমজুর, নিম্ন আয় এবং আয় শূন্য হয়ে পড়া দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সার্বক্ষনিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

পুলিশ সুপার জানান, জেলার মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করছি, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, জেলার মান পরিবর্তন করাই আমার মুল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে। 

করোনাকালীন সময়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দিন কিংবা রাত, অসহায় ও ছিন্নমুল মানুষদের খুঁজে বের করে তাদেরকে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন।

তিনি করোনাকালীন এই সংকটময় মুহুর্তে করোনা প্রতিরোধে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন। এছাড়া জেলার ৬ উপজেলায় ও প্রতিটি ইউনিয়নে ও ওয়ার্ডে ১০ ও ২০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন। 

করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির দাফন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ৬ উপজেলায় ১০ সদস্য বিশিষ্ট ১টি করে ৭টি কমিটি গঠন করেছেন। পুলিশদের নিরাপত্তার জন্য পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস বিতরণ,পুলিশদের জন্য হাসপাতালে ৮টি আইসোলেশন বেড কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ব্যক্তিদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা, জেলার প্রতিটি এলাকায় সচেতনতার জন্য মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, বাজারের দ্রব্যমূল্যে উর্দ্ধগতি না হওয়া, জীবাণুনাশক স্প্রে করা, হাট বাজারে দুরত্ব বজায় রাখার জন্য স্থানান্তর করা। লকডাউনে জেলায় বিভিন্ন স্থানে ২২টি চেকপোষ্ট বসানো, ওএমএস, টিসিবি পণ্য সঠিকভাবে বিতরণে পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।  

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বিপিএম, পিপিএম নীলফামারীতে যোগদান করেন গত ১০ জানুয়ারি। তিনি যোগদানের পর নীলফামারী জেলার চিত্র পাল্টে যায়। এমন কোন জায়গা নাই যে তিনি পরিবর্তন করেননি।

তার উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে - জমি জোর দখল প্রতিরোধ, সন্ত্রাস বাহিনী প্রতিরোধ, চুরি ডাকাতি জুয়া বন্ধ, মাদক নির্মূল, যৌতুক ও নারী নির্যাতন বন্ধ, নারীদের সন্মান বজায় রাখা, অবৈধ গরু পাচার রোধ, জঙ্গি সংগঠন রোধ, শাস্তির জন্য সঠিক তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য ভিত্তিক পুলিশিং, গোটা জেলায় সিসি ক্যামেরায় আওতায় আনা, হাওর ও চলনবিল এলাকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ২০ হাজার শ্রমিক পাঠানো, উত্তরা ইপিজেডে ৩৯ হাজার শ্রমিকের সামাজিক ৬ ফুট দুরত্ব মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহারে সার্বক্ষনিক সহযোগিতা করা, করোনা আক্রান্তদের পুষ্টিকর খাবার ও খোঁজ খবর রাখা, মসজিদে অপপ্রচার চালানো বন্ধ, ত্রাণ বিতরণে সব জায়গায় পুলিশের সহযোগিতা, অনাবাদী জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষের উদ্ভুদ্ধকরন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, খেলাধুলা, ধর্ষনের শাস্তি, পুলিশ যদি কোন অন্যায় করে তার বিচার, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, করোনা পরিস্থিতে পুলিশের ছুটি বন্ধ, নিজেকে নিরাপত্তা রেখে সর্বোচ্চ মানবিক পুলিশিং ইত্যাদি।

No comments

-->